শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

মানবপাচার চক্রের ৩ সদস্যসহ আটক ৮ বাংলাদেশি

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১৮ মে ২০২৪, ১৭:১৬

উন্নত জীবনের প্রলোভন আর আকাশছোঁয়া স্বপ্ন দেখিয়ে অসহায় মানুষদের সর্বস্বান্ত করা মানবপাচার চক্রের ৩ সদস্যসহ ৮ বাংলাদেশিকে আটক করেছে মালয়েশিয়ার আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

শনিবার (১৮ মে) এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে দেশটির অভিবাসন বিভাগ। অভিবাসন বিভাগের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত বৃহস্পতিবার (১৬ মে) কুয়ালালামপুরের জালান সুলতান ইসমাইলের একটি আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে আট বাংলাদেশিকে আটক করা হয়।

অভিবাসন পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মানবপাচার চক্রের মূলহোতা গাড়ি নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তবে পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।

এরপর গাড়িটি তল্লাশি করে চালকসহ ৩ বাংলাদেশিকে আটক করে পুলিশ। এরপর আটক ওই ৩ জনকে নিয়ে তাদের থাকার জায়গায় অভিযান চালিয়ে আরও পাঁচ বাংলাদেশিকে আটক করা হয়। এই পাঁচ বাংলাদেশির কাছে মালয়েশিয়ায় থাকার জন্য বৈধ কোনো কাগজপত্র, ভ্রমণ নথি বা পাসপোর্ট ছিল না।

অভিযানে ১০টি বাংলাদেশি পাসপোর্ট, তিনটি মোবাইল ফোন, নগদ ৫০০ রিঙ্গিত এবং একটি পেরোডুয়া মাইভি গাড়ি জব্দ করে পুলিশ। গাড়িটি অবৈধ অভিবাসীদের পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হতো বলে জানানো হয়েছে।

অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক দাতুক রুসলিন জুসোহ বলেন, এই চক্রের অপারেশনের পদ্ধতি ছিল অবৈধ অভিবাসীদের বিশেষ করে বাংলাদেশিদের কাজের প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় আনা।

এক্ষেত্রে তাদের প্রধান রুট হলো বাংলাদেশ থেকে আকাশপথে ভিয়েতনাম তারপর সেখান থেকে গাড়িতে করে থাইল্যান্ডে নিয়ে যাওয়া। এরপর থাইল্যান্ড থেকে নৌকা করে মালয়েশিয়ার কেলান্তান। এরপর কেলান্তান থেকে গাড়িতে করে কুয়ালালামপুরের জালান সুলতান ইসমাইলের ওই আবাসিক এলাকা।

অভিবাসন পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত মতে, চক্রটি গত দুই মাস ধরে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। তারা প্রতিজনের কাছ থেকে ১৩ হাজার থেকে ২১ হাজার রিঙ্গিত পর্যন্ত নিতো।

২০০৭ সালের অ্যান্টি ট্রাফিকিং ইন পার্সন অ্যান্ড অ্যান্টি-স্মাগলিং অব মাইগ্র্যান্টস অ্যাক্ট (এটিআইপিএসওএম)-এর ২৬এ ধারায় অপরাধ করার সন্দেহে গাড়িতে থাকা ৩ জনকে আটক করা হয়। বাকিদের ইমিগ্রেশন অ্যাক্ট ১৯৫৯/৬৩, পাসপোর্ট অ্যাক্ট ১৯৬৬, ইমিগ্রেশন রেগুলেশন ১৯৬৩ এবং এটিপসম ২০০৭ এর অধীনে আটক করা হয়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর