শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

৫৬ ডিগ্রি! এবার দিল্লিকে টপকে অগ্নিদৌড়ে শীর্ষে নাগপুর

ডেস্ক রির্পোট

প্রকাশিত:
১ জুন ২০২৪, ১৩:২০

দুদিন আগেই ভারতের সর্বকালীন সর্বোচ্চ তাপমাত্রার রেকর্ড গড়েছিল দিল্লি। দেশবাসীকে চমকে দিয়ে রাজধানীর তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছিল ৫২.৯ ডিগ্রিতে। এবার দিল্লির রেকর্ড ভেঙে ফেলল মহারাষ্ট্র। সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, গত ৩০ মে অর্থাৎ বৃহস্পতিবার নাগপুরের তাপমাত্রা পৌঁছে গিয়েছিল ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বলার অপেক্ষা রাখে না, ভারতের ইতিহাসে এটাই এখনও পর্যন্ত রেকর্ড করা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা। এবং পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থেকে মাত্র ০.৭ ডিগ্রি কম।

শুধু গরম বললে ভুল বলা হবে গত প্রায় এক মাস ধরে কার্যত তপ্ত কড়াইয়ে পরিণত হয়েছে গোটা উত্তর ভারত। এই ভাজা পোড়া গরমে নাজেহাল অবস্থা দেশবাসীর। ‘টাইমস অফ ইন্ডিয়া’র রিপোর্ট অনুযায়ী, আবহাওয়া ভবনের তরফ থেকে নাগপুরে ৪ টি অটোমেটিক ওয়েদার স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। তার একটিতেই তাপমাত্রার পারদ ওঠে ৫৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

উল্লেখ্য, এখনও পর্যন্ত বিশ্বের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়াতে। ১৯১৩ সালের ১০ জুলাই এখানকার তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫৬.৭ ডিগ্রিতে। অর্থাৎ পৃথিবীর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থেকে মাত্র ০.৭ ডিগ্রি পিছিয়ে ছিল নাগপুর। এর পাশাপাশি সোনেগাঁওয়ে ৫৪ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। যদিও তাপমাত্রার এই রিপোর্ট একেবারে সঠিক বলে মানতে রাজি নন বিশেষজ্ঞরা। আঞ্চলিক আবহাওয়া দপ্তরের কর্তাদের দাবি, ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেলেই অটোমেটিক ওয়েদার স্টেশনগুলির সেন্সরে গোলযোগ দেখা যাচ্ছে। ফলে তাপমাত্রার পারদ যা দেখাচ্ছে তা নিয়ে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। এই ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে কেন্দ্রীয় সরকারও।

উল্লেখ্য, গত বুধবার (২৯ মে) ভারতের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল দিল্লিতে। সেখানকার মুঙ্গেশপুর এলাকার তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৫২.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এই ঘটনার রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর স্বাভাবিকভাবেই শোরগোল শুরু হয় গোটা দেশে। তবে এই রিপোর্ট আদৌ সঠিক কিনা তা নিয়ে শুরু হয়েছে তদন্ত। তবে ভয়াবহ এই তাপমাত্রার রেকর্ড ঠিক হোক বা ভুল। পূর্ব, উত্তর ও মধ্য ভারত যে প্রবল গরমে পুড়ছে তাতে কোনও সন্দেহ নেই। তীব্র গরমের প্রকোপে এখনও পর্যন্ত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর