শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

বাবার কাছ থেকে ৪০ লাখ রুপি আদায় করতে ছেলের অপহরণ নাটক

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ১৬:৪৪

ব্যবসায়ী বাবার কাছ থেকে ৪০ লাখ রুপি আদায় করতে পাঁচ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে পরিকল্পনা আঁটে ১৭ বছর বয়সী এক ভারতীয় কিশোর। নিজেই নিজের অপহরণের পরিকল্পনা সাজায় সে। উদ্দেশ্য ছিল, ওই অর্থ দিয়ে সে ও তার বন্ধুরা দামি ফোন ও ল্যাপটপ কিনবে। পাশাপাশি অনলাইনে জুয়া খেলে ধনী হওয়ারও স্বপ্ন দেখেছিল তারা।

তবে শেষ পর্যন্ত এসব কিশোরের সেই পরিকল্পনা সফল হয়নি। তারা সবাই পুলিশের কাছে ধরা পড়েছে।

১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে কিছু কাজের অজুহাতে ওই কিশোর জয়পুরের বাড়ি থেকে বের হয়। এক ঘণ্টা পরও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবার দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়। তার ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। পরিবারের সদস্যরা তখন তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজতে বের হন। কিন্তু তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাত ১০টার দিকে ওই কিশোরের বাবার ফোন নম্বরে একটি কল আসে। ফোনের ওপাশ থেকে বলা হয়, তাঁর ছেলেকে অপহরণ করা হয়েছে।

পুলিশের দক্ষিণের উপকমিশনার দিগন্ত আনন্দ বলেন, ‘ওই বাবা গভীর রাতে মোহনা থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। তিনি তাঁর অভিযোগে বলেছেন, অপহরণকারীরা বিভিন্ন নম্বর থেকে বেশ কয়েকবার ফোন করেছে ও মুক্তিপণ হিসেবে ৪০ লাখ রুপি দাবি করেছে।’

কিশোরের বাবা আরও অভিযোগ করেন, পরদিন বেলা ১১টার মধ্যে মুক্তিপণ না পেলে অপহরণকারীরা তাঁর ছেলের একটি আঙুল কেটে ফেলার হুমকি দিয়েছে। এরপরও মুক্তিপণ না দিলে ওই কিশোরকে মেরে লাশ ফেলে দেওয়ারও হুমকি দেয় তারা।

মোহনা থানার উপপরিদর্শক শঙ্কর লাল বলেন, ‘গত রোববার গভীর রাতে আমরা এফআইআর গ্রহণ করি এবং তাৎক্ষণিকভাবে একটি দল গঠন করে তদন্ত শুরু করি। পাঁচ শতাধিক ক্যামেরায় ধারণকৃত সিসিটিভি ফুটেজ এবং কারিগরি নজরদারির সহায়তায় আমরা জানতে পারি, একটি গাড়িতে করে ওই কিশোর ও অপহরণকারীরা টংক শহরের দিকে গেছে।’

শঙ্কর লাল বলেন, ২ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার দিকে জয়পুরের দিকে আসার সময় পুলিশ ওই কিশোর এবং তার সঙ্গীদের শনাক্ত করতে সক্ষম হয়। পুলিশকে দেখে তারা ভীত হয়ে পড়ে ও পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ মোহনা মান্ডি এলাকা থেকে ওই কিশোরকে উদ্ধার করে। কিশোরটি তখন পুলিশকে বলে, অপহরণকারীরা তাকে সেখানে ফেলে পালিয়ে গেছে। পরে ওই কিশোরকে জিজ্ঞাসাবাদের মধ্য দিয়ে আসল ঘটনা ফাঁস হয়। এরপর এ মিথ্যা অপহরণের পরিকল্পনাকারী বাকি পাঁচজনকেও আটক করা হয়।

পুলিশ বলছে, ওই কিশোর তার পারিবারিক আয়ের বিস্তারিত তথ্য বন্ধুদের জানিয়েছিল। এরপরই তারা অপহরণের পরিকল্পনা করে। ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিও দেখে তারা অপহরণের পরিকল্পনাটি সাজায়। কীভাবে ইন্টারনেটে কল দিতে হবে, সেটাও তারা ভিডিও দেখে শিখেছে।

অপহরণ নাটকে জড়িত সন্দেহভাজন ছয়জনের মধ্যে দুজন কিশোর ও চারজন প্রাপ্তবয়স্ক। দুই কিশোরকে কিশোর ন্যায় বোর্ডের সামনে হাজির করা হয়েছিল। তাদের কঠোরভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক চারজনকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে তাঁদের জয়পুরের কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর