শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

এক জেলায় ৯৭৯টি বাঙ্কার ধ্বংস করল পাকিস্তান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ এপ্রিল ২০২৫, ১৬:৪৮

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের কুররম জেলার বিভিন্ন এলাকায় গত দু’মাসে ৯৭৯টি বাঙ্কার ধ্বংস করেছে সেনা-পুলিশ যৌথ বাহিনী।

খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশটি উপজাতি অধ্যুষিত। বিভিন্ন উপজাতি ও গোত্রের মধ্যে সংঘাত-সহিংসতাও ঘটে নিয়মিতই। গোত্র ও উপজাতিগুলোর মধ্যে সংঘাতের সময় ধ্বংস হওয়া এই বাঙ্কারগুলো দূর্গ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। পাকিস্তানের নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানও (টিটিপি) তাদের সাংগঠনিক ও অপারেশেনাল কাজে ব্যবহার করত এসব বাঙ্কার।

ধ্বংস হওয়া এসব বাঙ্কার থেকে বিপুল অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গেছে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে।

উপজাতি ও গোত্রগুলোর মধ্যকার সংঘাত-সহিংসতা নিরসনে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি খাইবার পাখতুনখোয়ার উপজাতি গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে শান্তি চুক্তিতে আসে পাকিস্তানের সরকার। সেই চুক্তির নাম কোহাট পিস এগ্রিমেন্ট।

পাকিস্তানের উপজাতি গোষ্ঠী ও গোত্রগুলোর ‘জিরগা’ নামের একটি স্থানীয় সরকার সংস্থাও রয়েছে। এই বিভিন্ন গোত্রের মধ্যে রেষারেষি দমন এবং সম্প্রীতি ও গণতন্ত্রের চর্চাকে এগিয়ে নিতে এই ‘জিরগা’ গঠন করা হয়েছিল। কিন্তু খাইবার পাখতুনখোয়ার অধিকাংশ জেলায় বহু বছর ধরে ‘জিরগা’ কার্যত নিষ্ক্রিয়।

আর এদিকে প্রদেশের বিভিন্ন জেলায় বাড়ছে গোত্রগুলোর মধ্যে সংঘাত। চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত আন্তঃউপজাতি ও আন্তঃগোত্র সংঘাতে খাইবার পাখতুনখোয়ার বিভিন্ন জেলায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৩০ জনেরও বেশি এবং আহত হয়েছেন আড়াই শতাধিক।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর