শনিবার, ২৫শে এপ্রিল ২০২৬, ১২ই বৈশাখ ১৪৩৩ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • তেলের নতুন দাম আজ: এপ্রিলে সংকটের ভয় নেই, ডিজেলের বড় মজুদের সুখবর দিল মন্ত্রণালয়
  • গুম হওয়া ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি: সংসদে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলেন তাহসিনা রুশদীর লুনা
  • তেলের বাজারে অস্থিরতা: সাশ্রয় করতে 'হোম অফিস' ও স্কুল-কলেজে অনলাইন ক্লাসের কথা ভাবছে সরকার
  • সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগের পরই সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি রেজাউল হাসান
  • ‘শুভঙ্করের ফাঁকি’ আর নয়, নতুন পে স্কেলের দাবিতে উত্তাল হচ্ছে সরকারি কর্মচারীরা
  • এবার বেতন পাবেন খেলোয়াড়রা: ১২৯ ক্রীড়াবিদকে কার্ড দিলেন প্রধানমন্ত্রী, লক্ষ্য ৫০০ জনের কর্মসংস্থান
  • এক নজরে সংসদীয় বিশেষ কমিটির বৈঠক
  • তেলের দাম বাড়বে না, তবে পাচার করলেই কঠোর ব্যবস্থা
  • সংসদ অধিবেশনে নাহিদ ইসলামের হুঙ্কার: জুলাই সনদের ভিত্তিতেই এ সংসদ, গণভোটের রায় অমান্য করা যাবে না
  • ফুরিয়ে আসছে পেট্রোল, বাড়ছে অস্থিরতা: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধ নিয়ে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষজ্ঞের ভয়াবহ পূর্বাভাস

ড. ইউনূস বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্বে, যেভাবে আশার বাতিঘর হবে এ দেশ

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ এপ্রিল ২০২৫, ১২:০৯

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ আজ শুধু একটি উন্নয়নশীল দেশই নয়, বরং বৈশ্বিক সমস্যা সমাধানে একটি প্রভাবশালী কণ্ঠস্বর। সম্প্রতি কাতারের দোহায় আর্থানা শীর্ষ সম্মেলন ২০২৫-এ তার বক্তব্যে এই দৃষ্টিভঙ্গি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। তিনি বাংলাদেশকে একটি "অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক চুক্তি"র মডেল হিসেবে উপস্থাপন করেছেন, যেখানে রাষ্ট্র, যুবসমাজ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠী একত্রে ন্যায়বিচার, মর্যাদা ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ গড়ে তুলবে ।

ড. ইউনূসের স্বপ্নের কেন্দ্রে রয়েছে সামাজিক ব্যবসা এবং মাইক্রোফাইনান্স-এর মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন। তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংকের মডেল ইতিমধ্যে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত। দোহায় তিনি জোর দিয়েছেন যে, অর্থনৈতিক সুযোগ সৃষ্টির পাশাপাশি প্রান্তিক জনগণের ক্ষমতায়নই টেকসই উন্নয়নের চাবিকাঠি ।

বৈশ্বিক সংকট যেমন জলবায়ু পরিবর্তন, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মানবিক সংকট মোকাবিলায় ড. ইউনুস আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। তার মতে, বাংলাদেশ জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর পক্ষে নেতৃত্ব দিতে পারে, বিশেষত নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও অভিযোজন কৌশলে ।

ইউনূসের প্রস্তাবিত "সামাজিক চুক্তি"তে যুবসমাজকে কেন্দ্রীয় ভূমিকায় রাখা হয়েছে। তিনি বিশ্বাস করেন, তরুণদের উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল অর্থনীতি এবং গ্রিন টেকনোলজিতে বাংলাদেশকে একটি উদাহরণ হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব ।

ড. ইউনূসের ভাষায়, "আমরা পৃথিবীর জন্য আশার বাতিঘর হতে চাই"। তিনি বিশ্ব নেতাদের সাথে একটি সাহসী আলোচনার প্রস্তাব দিয়েছেন, যেখানে দারিদ্র্য, অসমতা এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) অর্জনে সম্মিলিত প্রচেষ্টা নিশ্চিত করা হবে ।

যদিও বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনও জ্বালানি সংকট, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ চাপ এবং অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক জটিলতা মোকাবিলা করছে , তবুও ইউনুসের নেতৃত্বে দেশটি একটি "উদ্যোক্তা রাষ্ট্র" (Entrepreneurial State) মডেল গ্রহণের দিকে এগোচ্ছে। এই মডেলে সরকার শিল্পোন্নয়ন ও গবেষণায় সরাসরি বিনিয়োগ করে, যেমনটি দক্ষিণ কোরিয়া বা চীন করেছে ।

ড. ইউনুসের দর্শন শুধু বাংলাদেশের জন্য নয়, বৈশ্বিক উন্নয়নের জন্য একটি রোডম্যাপ। তার প্রস্তাবিত অন্তর্ভুক্তিমূলক সামাজিক চুক্তি এবং সামাজিক ব্যবসা- এর ধারণা টেকসই উন্নয়নের নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। বাংলাদেশ যদি এই পথে অগ্রসর হয়, তবে তা বিশ্বের জন্য একটি মডেল হয়ে উঠতে পারে ।

 

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর