শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

আমরা একে অপরের জন্য কিছু কিনি না- দিব্যাঙ্কা

বিনোদন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৩০ এপ্রিল ২০২৫, ১৮:০২

এই অক্ষয় তৃতীয়ায় একদিকে যেমন সোনার আংটি কেনার পরিকল্পনা করছেন দিব্যাঙ্কা ত্রিপাঠী দাহিয়া, তেমনই শুরু করছেন একটি নতুন পেশাগত প্রকল্পও। তবে দিব্যাঙ্কা জানালেন, তিনি ও স্বামী বিবেক কখনও একে অপরের জন্য উপহার কেনেন না—বরং একসঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য বিনিয়োগ করেন।

অক্ষয় তৃতীয়ার আসল অর্থই হল নতুন শুরুর জন্য একটি শুভ দিন। তবে দিব্যাঙ্কার কাছে এর আবেগের মূল্য অনেক বেশি। তিনি বলেন, “আমার কাছে অক্ষয় তৃতীয়া মানে আবেগ এবং এমন বিনিয়োগ যা প্রবৃদ্ধি এবং ইতিবাচকতার প্রতীক। কেনাকাটার আকার বড় হওয়ার দরকার নেই—এটি হতে পারে একটি ছোট সোনার টুকরো, কিছু স্টক, বা বাড়িতে একটি গাছের চারা লাগানো।

এটি যেকোনো কিছু হতে পারে যা প্রবৃদ্ধির প্রতীক।”এই বছর দিব্যাঙ্কা একটি বিশেষ উপায়ে উৎসবকে স্বাগত জানাবেন “আমি একটি সোনার আংটি কিনব, যাতে রত্ন বসানো থাকবে, এবং সেটি আমার কুণ্ডলী অনুযায়ী নির্বাচন করা হয়েছে। একইসঙ্গে, আমি পেশাগতভাবে নতুন একটি প্রকল্প শুরু করছি। তাই একভাবে বললে, পেশাগত জীবনে একটি নতুন বীজ বপন করছি।”

শৈশবের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে ৪০ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী বলেন, “আমার প্রিয় অক্ষয় তৃতীয়া স্মৃতিগুলোর একটি হল, প্রতি বছর প্রায় বাবার সঙ্গে ভোপালের একটি ছোট জুয়েলারি দোকানে যাওয়া। আমাদের বড় বাজেট ছিল না, কিন্তু বাবা জোর করতেন যেন কিছু না কিছু কেনা হয়—হয়তো একটি রূপোর মুদ্রা বা ছোট একটি সোনার লকেট। বিষয়টা ছিল ঐতিহ্য এবং একসাথে থাকার, দামের নয়।”

জিজ্ঞেস করলে তাঁর সবচেয়ে বিশেষ অক্ষয় তৃতীয়া কেনাকাটার স্মৃতি কী, দিব্যাঙ্কা বলেন, “একবার মা ও আমি একসঙ্গে আমার জন্য একটি নাকের আংটি কিনেছিলাম। মা'র হাত ধরে আমি তখন নাক ফুটিয়েছিলাম এবং একটি ধারাবাহিকে সেই আংটিটিই পরেছিলাম।

এটি আমার কাছে খুব আবেগপূর্ণ।” তেমনই বিশেষ ছিল তাঁর প্রথম অক্ষয় তৃতীয়া উপহার তাঁর বাবা-মায়ের জন্য। “আমার প্রথম ধারাবাহিক থেকে উপার্জন শুরু করার পর, আমি বাবা-মায়ের জন্য ছোট্ট একটি রূপার লক্ষ্মী-গণেশের মূর্তি কিনেছিলাম। সেটি এখনও আমাদের বাড়ির মন্দিরে রয়েছে,” বললেন তিনি।

তাহলে স্বামী বিবেক দাহিয়া কি তাঁকে অক্ষয় তৃতীয়ায় উপহার দেন? দিব্যাঙ্কা বলেন, “আমরা একে অপরের জন্য কিছু কিনি না। বরং একসঙ্গে বিনিয়োগ করি এবং সেই প্রবৃদ্ধিকে উপভোগ করি।”


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর