শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

শেখ হেলাল-তন্ময়সহ পাঁচজনের নামে ২০০ কোটি টাকার চাঁদাবাজি মামলা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ মে ২০২৫, ১২:৩০

বাগেরহাট-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ হেলাল উদ্দিন ও তার ছেলে বাগেরহাট–২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য শেখ তন্ময়সহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে ২০০ কোটি টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগে মামলা হয়েছে।

সাত বছর আগের এ ঘটনার মামলা করেছেন স্থানীয় নিউ বসুন্ধরা রিয়েল স্টেটের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল মান্নান তালুকদার। সোমবার (৫ মে) রাতে বাগেরহাট সদর মডেল থানায় এ মামলা করেন তিনি।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই শেখ হেলাল উদ্দিন ও তার ছেলে শেখ তন্ময় ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন- শেখ হেলালের ব্যক্তিগত সহকারী ফিরোজুল ইসলাম, তন্ময়ের ব্যক্তিগত সহকারী শাহীন ও শেখ শহীদুল ইসলাম। এর মধ্যে শেখ শহীদুল ইসলামকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

এজাহারের বরাত দিয়ে বাগেরহাট মডেল থানার ওসি মাহামুদ-উল-হাসান বলেন, ‘২০১৮ সালের ১৫ নভেম্বর রাতে শেখ হেলাল উদ্দিন, শেখ সারহান নাসের তন্ময়সহ পাঁচ জন আব্দুল মান্নান তালুকদারের শহরের সরুই কার্যালয়ে গিয়ে ২০০ কোটি টাকা চাঁদা দাবি করেন।

চাঁদা না দিলে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া, মিথ্যা মামলায় জড়ানোসহ মেরে ফেলার হুমকি দেয় আসামিরা। তখন আব্দুল মান্নান তালুকদার নিজের ব্যবসা রক্ষার স্বার্থে তাৎক্ষণিকভাবে গ্রাহকের রক্ষিত টাকা থেকে সাত কোটি ৩০ লাখ আসামিদের হাতে তুলে দেন। তারা বাকি টাকা দ্রুত দিয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে তখনকার মতো চলে যান।’

ওসি আরও জানান, এরপর ২০১৯ সালের ৩ জানুয়ারি আসামিরা আবার তার অফিসে এসে বাকি টাকা পরিশোধের জন্য হুমকি দিলে তিনি তাদের আরও ১২ কোটি ৭০ লাখ টাকা চাঁদা দেন। দুই দফায় আসামিরা ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আব্দুল মান্নান তালুকদারের কাছ থেকে মোট ২০ কোটি টাকা চাঁদা নিয়েছে বলে মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

এর মধ্যে এজাহারনামীয় ৩ নম্বর আসামি শহীদুল ইসলামকে (৩৭) গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আব্দুল মান্নান তালুকদার দুদকের মামলায় কারাগারে থাকাকালে তার প্রতিষ্ঠানের সব দায়িত্ব এই শহিদুলের কাছে ছিল।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর