শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

‘মার বেটা আমাকে, মার’ মেজাজ হারালেন ঢাবি ভিসি

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ মে ২০২৫, ১৫:৪৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার প্রতিবাদে গতকাল মধ্যরাতে বিক্ষোভে অংশ নেন ছাত্রদল কর্মীরা। তারা প্রশাসনের গাফিলতি ও ক্যাম্পাসে নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ তুলে উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানের পদত্যাগ দাবি করেন।

গত মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে স্যার এ এফ রহমান হলের ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্যকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং প্রশাসনের ব্যর্থতার অভিযোগে শিক্ষার্থীরা উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগ দাবি করে বিক্ষোভে অংশ নেন। রাত ৩টার দিকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে তারা স্লোগান দিতে থাকেন।

বিক্ষোভকারীদের সামনে এসে কথা বলার সময় উত্তেজনা তৈরি হলে ঢাবি উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ তাদের উদ্দেশে বলেন, “তোমরা যদি মনে করো, তুমি আর আমি আলাদা পক্ষ, আমি এখানে দাঁড়ায়ে আছি; আমাকে মার বেটা, মার।” এরপর তিনি বলেন, “চিৎকার কইরো না।” এ সময় একজন বলেন, “সিনেমা কইরেন না, স্যার, সিনেমা কইরেন না।” উপাচার্যের এমন কথায় মুহূর্তের জন্য কিছুটা স্তব্ধতা তৈরি হয়, যা পরক্ষণেই কেটে যায়।

বিক্ষোভকারীরা উপাচার্যের সঙ্গে বাকবিতণ্ডার সময় বলেন, “বাংলা একাডেমির সামনে সাম্যকে হত্যার পর খুনিরা কীভাবে পালিয়ে গেল? আপনার প্রক্টরিয়াল টিম তো দোয়েল চত্বরে আছে। তাহলে তারা কেন খুনিদের ধরতে পারেন না?” এ সময় তারা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে উপাচার্যকে সেখানে গিয়ে পরিস্থিতি দেখার কথা বলেন।

উপাচার্য নিয়াজ আহমেদ বলেন, “তোমাদের পদক্ষেপগুলো বলো।” একজন শিক্ষার্থী বলেন, “আপনি পদত্যাগ করেন।” উপাচার্যকে “আপনি আমাদেরই লোক বলা” শিক্ষার্থী তখন ক্ষোভ প্রকাশ করেন, “আপনারা যদি আমাদেরই লোক হন; তাহলে সাম্যর ঘটনার সময় আমি প্রক্টরকে ফোন দিছি; তিনি ফোন ধরেন নাই- কেন?”

উদ্যানের নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চবাচ্যের মধ্যে একজন স্লোগান দিয়ে ওঠেন, “ব্যর্থ ভিসির বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন।” এরপর শিক্ষার্থীদের কথামতো তারা উপাচার্যকে সঙ্গে নিয়ে উদ্যানের দিকে যান। তখনো হইহট্টগোল চলছিলই।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর