শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

সুখবর দিল মালয়েশিয়া, কর্মী নেবে ১২ লাখ!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ মে ২০২৫, ১৬:১৬

মালয়েশিয়ায় আবারও বাংলাদেশিদের জন্য উন্মুক্ত হয়েছে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্ত। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই অর্থনৈতিক শক্তিধর দেশটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়েছে, তারা বাংলাদেশসহ ১৪টি উৎস দেশ থেকে নতুন করে ১২ লক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে চায়। এই বিপুল সুযোগের মাঝে প্রায় ২০ হাজার বাংলাদেশি শ্রমিক বিনা খরচে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার সুযোগ পাবেন—যা নিঃসন্দেহে দেশের কর্মসংস্থানের ইতিহাসে একটি বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি কর্মীদের প্রধান কর্মক্ষেত্র মূলত নির্মাণ, কৃষি, পরিষেবা, উৎপাদন এবং প্লান্টেশন শিল্পের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে বিস্তৃত। এ সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশি শ্রমিকরা দীর্ঘকাল ধরে অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন। এছাড়াও, বহু বাংলাদেশি সেখানে স্থানীয় ব্যবসা কিংবা ছোট আকারের দোকান পরিচালনার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করছেন। তবে এ কথা অনস্বীকার্য যে, এই পেশাগুলোর অধিকাংশই কায়িক শ্রমনির্ভর এবং যথেষ্ট কষ্টসাধ্য।

শুধু কর্মসংস্থানই নয়, মালয়েশিয়া বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের কাছেও এক আকর্ষণীয় শিক্ষাঙ্গন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। এখানকার শিক্ষা ব্যয়ের তুলনামূলক সাশ্রয়ী হার এবং জীবনযাত্রার স্বস্তি এটিকে শিক্ষার্থীদের জন্য একটি পছন্দের গন্তব্যে পরিণত করেছে। ইসলামিক সংস্কৃতির প্রগাঢ় প্রভাব মুসলিম শিক্ষার্থীদের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। মালয়েশিয়ার অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিসম্পন্ন এবং তাদের গবেষণার মানও অত্যন্ত উন্নত। যারা স্নাতকোত্তর ও পিএইচডি পর্যায়ে পড়াশোনা করতে আগ্রহী, তাদের জন্য মালয়েশিয়ান ইন্টারন্যাশনাল স্কলারশিপ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব বৃত্তি এবং গবেষণা সহকারিতার সুযোগ বিদ্যমান। অনেক পিএইচডি শিক্ষার্থী তাদের গবেষণার জন্য মাসিক ভাতাও পেয়ে থাকেন।

উচ্চশিক্ষা সমাপ্তির পর মালয়েশিয়ায় ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ সীমিত হলেও বেশ প্রতিযোগিতামূলক। তথ্যপ্রযুক্তি, প্রকৌশল, ব্যবসা, গবেষণা এবং শিক্ষা খাতে বিদেশিদের জন্য কিছু সুযোগ উন্মুক্ত থাকে। তবে যারা পড়াশোনার পাশাপাশি ইন্টার্নশিপ বা শিল্প-সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন, তাদের কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তুলনামূলকভাবে বেশি থাকে।

মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর, সেলাঙ্গর, পেনাং, জহুরবারু এবং মালাক্কার মতো শহরগুলোতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক বাংলাদেশি বসবাস করেন। তারা সেখানে শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী হিসেবে এক প্রাণবন্ত উপস্থিতি বজায় রেখেছেন। বিশেষত কুয়ালালামপুর ও সেলাঙ্গর অঞ্চলে বাংলাদেশি সম্প্রদায়ের সরব পদচারণা চোখে পড়ার মতো।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর