শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

ট্রাম্পের নতুন আইনে বিপাকে লাখ লাখ ভারতীয়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২০ মে ২০২৫, ১৬:২৩

যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত অভিবাসী ভারতীয়দের জন্য কঠোর আইন আনতে যাচ্ছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ও আসন্ন নির্বাচনের প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রস্তাবিত এই আইনের আওতায়, ভারতীয় অভিবাসীদের রেমিটেন্স পাঠানোর ওপর ৫ শতাংশ কর আরোপ এবং ভারতীয় কিছু সংস্থার ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারির কথা বলা হয়েছে।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির ১৯ মে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের হাউস বাজেট কমিটিতে "বিল ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল" নামের একটি খসড়া আইন অনুমোদিত হয়েছে। এই বিল অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আন্তর্জাতিকভাবে অর্থ প্রেরণের সময় ৫ শতাংশ হারে কর কেটে নেওয়া হবে। এই কর সব রেমিটেন্স, বিনিয়োগ আয় ও স্টক অপশন আয়ের স্থানান্তরের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে।

তবে এই কর মার্কিন নাগরিকদের ওপর প্রযোজ্য হবে না। যার ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন দেশটিতে থাকা ভারতীয় অভিবাসীরা। এতে তাদের পরিবারকে অর্থ সহায়তা পাঠানো যেমন ব্যয়বহুল হবে, তেমনি নিজ দেশে বিনিয়োগ করাও কঠিন হয়ে পড়বে।

এছাড়াও ভারতীয় কিছু ট্রাভেল এজেন্সি এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার মালিক ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব সংস্থা সচেতনভাবে অবৈধ অভিবাসনে সহায়তা করছে, যা মানব পাচারকেও উৎসাহিত করছে।

ওয়াশিংটনে অবস্থিত মার্কিন প্রশাসন জানিয়েছে, অবৈধ অভিবাসনের বিরুদ্ধে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। এমনকি মানবপাচারকারী চক্র ভাঙতে ভবিষ্যতেও নিষেধাজ্ঞা অব্যাহত থাকবে।

এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসকারী ভারতীয়দের হাতে ও কোমরে রশি বেঁধে দেশে ফেরত পাঠানোর ঘটনাও আলোচনার জন্ম দিয়েছিল। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর অভিবাসন নীতির পুনরাবৃত্তি হিসেবে এই উদ্যোগগুলো দেখা হচ্ছে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর