শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

নেতাদের অভিযোগ

এনসিপিকে নির্বাচনবিরোধী বানাতে চক্রান্ত চলছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২২ মে ২০২৫, ১৫:৫১

নির্বাচন ও ছাত্র উপদেষ্টাদের নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) নির্বাচনবিরোধী হিসেবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে দলটি। এনসিপির শীর্ষ নেতারা বলেছেন, সচেতনভাবে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে একটি মহল কাজ করছে।

গতকাল রাজধানীর অস্থায়ী কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেন,
“প্রধান উপদেষ্টা ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে নির্বাচন আয়োজনের যে সময়সীমা দিয়েছেন, এনসিপি তা সমর্থন করে। তবে এর মধ্যে বিচার ও কাঠামোগত সংস্কার নিশ্চিত করার দাবিও আমাদের রয়েছে।”

এর আগে ১০ মে, এনসিপির ছাত্র উপদেষ্টা মাহফুজ আলমও বলেন, “নির্বাচন হবেই ডিসেম্বর থেকে জুনের মধ্যে।” তিনি একাধিকবার এই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

তবুও, দুজন ছাত্র উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবিতে রাস্তায় অবরোধ ও আন্দোলনকে "অগ্রহণযোগ্য ও অগণতান্ত্রিক" বলে অভিহিত করেছেন দলের নেতারা। তাদের মতে, যারা অভ্যুত্থানের নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং বর্তমান ইন্টারিম সরকারের অংশ, তাদের হঠাৎ পদত্যাগ চাওয়াটা রাজনৈতিক বিভাজন তৈরির অপপ্রয়াস।

নেতারা আরও অভিযোগ করেন, দেশের রাজনীতিতে আবারও সেনা হস্তক্ষেপে সমাধান খোঁজার মানসিকতা তৈরি হচ্ছে, যা একধরনের "সাব-কনশাস প্রবণতা"।
“আমরা সেনাবাহিনীকে সম্মান করি, তারা আমাদের স্বাধীনতা রক্ষার জন্য পাহারাদার। কিন্তু রাজনৈতিক সালিশ বা হস্তক্ষেপের সুযোগ দিয়ে আরেকটি ওয়ান-ইলেভেনের পুনরাবৃত্তি হতে দেওয়া যায় না।”

বক্তারা মনে করেন, যাদের পাশে পেয়ে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ করার মতো ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বাস্তবায়ন সম্ভব হয়েছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা থাকবে। তবে আওয়ামী লীগের বিচারের দাবিতে কোনো বড় রাজনৈতিক দলের নির্লিপ্ততা জনমনে হতাশা সৃষ্টি করছে।

"দ্রুত বিচার, কাঠামোগত সংস্কার এবং একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্যবদ্ধ হওয়া এখন সময়ের দাবি," বলেন নেতারা। তারা সতর্ক করেন—বর্তমান সম্ভাবনাকে নষ্ট করে অস্থিরতা তৈরি করা হলে তা হবে একটি ঐতিহাসিক ব্যর্থতা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর