শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

শিশুকে প্রথম ৬ মাস শুধু বুকের দু্ধ কেন খাওয়াবেন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৪ মে ২০২৫, ১৪:৫৩

শিশুর জন্মের পর প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র মায়ের বুকের দুধ খাওয়ানো শিশুর স্বাস্থ্য ও বিকাশের জন্য অপরিহার্য বলে জানিয়েছেন শিশু স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। এই সময় এক ফোঁটা পানিও না দিয়ে শুধু বুকের দুধেই সন্তানের সকল পুষ্টি, পানি ও ভিটামিনের চাহিদা পূরণ হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, অনেক মা বুকের দুধ খাওয়াতে আগ্রহী হলেও ভুল ধারণা ও অজ্ঞতার কারণে মাঝেমধ্যে ফিডারের দুধ বা অন্যান্য খাবার খাওয়ান। শিশুর কান্নাকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করে অনেকেই মনে করেন যে শিশু যথেষ্ট দুধ পাচ্ছে না, অথচ কান্নার পেছনে থাকতে পারে গ্যাস, ইনফ্যান্টাইল কোলিক বা অন্যান্য সাধারণ কারণ।

এই পরিস্থিতিতে অনেকেই এক-দুবার ফিডারের দুধ দিলে শিশু স্বল্প সময়ের জন্য শান্ত হয়ে যায়, যা পরিবারকে বিভ্রান্ত করে। তবে বারবার এমনটা করলে শিশু “নিপল কনফিউশন”-এ ভুগতে পারে- মায়ের স্তনের নিপল ও ফিডারের নিপলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে না পেরে ধীরে ধীরে ফিডারের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়ে।

ফলে দেখা যায়, শিশু মায়ের বুকের দুধ খেতে চায় না এবং একসময় পুরোপুরি বাইরের দুধের উপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। এতে মায়ের দুধও কমতে থাকে, যা মা ও শিশুর উভয়ের জন্য ক্ষতিকর।

বিশেষজ্ঞরা বলেন, যদি শিশু দিনে ছয় থেকে আটবার প্রস্রাব করে, স্বাভাবিক হারে ওজন বাড়ে এবং ঘুম ঠিকমতো হয়, তাহলে বোঝা যায় সে পর্যাপ্ত দুধ পাচ্ছে। এছাড়া, শিশুর কান্না নিয়ে সন্দেহ থাকলে বা দুধ খাওয়ানোর টেকনিকে সমস্যা হলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

পরিশেষে তারা জোর দিয়ে বলেন, সামান্য ভুলে যেন শিশুর প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস নষ্ট না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। সচেতনতা ও সঠিক পরামর্শে মায়েরা সহজেই তাদের সন্তানকে প্রথম ৬ মাস শুধুমাত্র বুকের দুধ খাইয়ে সুস্থ রাখতে পারবেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর