শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

প্রস্তুত আমেরিকা, বিশ্বকাপের ক্ষণগণনা শুরু

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
১২ জুন ২০২৫, ১৭:১৫

ঠিক এক বছর পর, ১১ জুন ২০২৬—পর্দা উঠবে ফিফা বিশ্বকাপের ২৩তম আসরের। আর এই বিশ্বকাপ হতে যাচ্ছে ইতিহাসের অন্যতম ব্যতিক্রমী এক আয়োজন। ‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ খ্যাত ফুটবল বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দল। এছাড়া এই প্রথম তিনটি দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো যৌথভাবে আয়োজন করছে বিশ্ব ফুটবলের সবচেয়ে মর্যাদার আসর।

ঠিক এক বছর থাকতেই বুধবার (১১ জুন) রাত থেকে বিশ্বজুড়ে শুরু হয়েছে ক্ষণগণনা। ২০২২ সালের কাতার বিশ্বকাপে লিওনেল মেসির হাতে শিরোপা উঠেছিল যে দিন, তার ঠিক তিন বছর পাঁচ মাস ২১ দিন পরই আবারও বিশ্ব মঞ্চে মুখোমুখি হবে সেরা দলগুলো।

যুক্তরাষ্ট্রে ফুটবল পরিচিত ‘সকার’ নামে। একসময় দেশটির ক্রীড়াঙ্গনে উপেক্ষিত ছিল ফুটবল। তবে মেজর লিগ সকার (এমএলএস) মার্কিনদের মাঝে এনেছে পরিবর্তন। এর পাশাপাশি দেশটিতে ফুটবলকে জনপ্রিয় করতে বড় ভূমিকা রেখেছেন লিওনেল মেসি।

১৯৯৪ সালে যুক্তরাষ্ট্র যখন প্রথমবার বিশ্বকাপ আয়োজন করে, তখনও ফুটবল সেখানে জনপ্রিয়তার তলানিতে। কিন্তু তিন দশকের নিরবিচার প্রচেষ্টায় এখন এমএলএস-এর দলগুলো গ্যালারি ভর্তি করছে, টিভি দর্শক বাড়ছে, ফুটবল ঘরে ঘরে প্রবেশ করছে।

২০২৩ সালে ইন্টার মিয়ামিতে যোগ দিয়ে মেসি শুধু এক দলে নয়, পুরো লিগ ও দেশের ফুটবলবোধেই পরিবর্তন এনে দিয়েছেন। এমএলএস-এর কম্পিটিশন ডিরেক্টর আলফনসো মোনডেলো বলেন, ‘আমাদের দেশে ফুটবলের বিকাশে এমএলএস অবদান রেখেছে ঠিকই, তবে মেসির আগমন সেটিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। মেসি এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফুটবলের এক প্রতীক হয়ে উঠেছেন।’

২০২৬ বিশ্বকাপ হবে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আসর—সংখ্যায়, আয়োজনে এবং আয়োজক দেশেও। মোট ১০৪টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ১৬টি শহরে, যা পূর্ববর্তী বিশ্বকাপগুলোর তুলনায় রেকর্ড সংখ্যক।

১১ জুন মেক্সিকো সিটিতে উদ্বোধন হয়ে ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক সিটিতে পর্দা নামবে এবারের আসরের।

যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে আয়োজন নিয়ে চলছে জোর প্রস্তুতি। ১৯৯৪ বিশ্বকাপে যে অভিজ্ঞতা তারা অর্জন করেছিল, তা কাজে লাগিয়ে এবার আরও আধুনিক, বিস্তৃত ও প্রযুক্তিনির্ভর এক বিশ্বকাপ উপহার দেওয়ার লক্ষ্য আয়োজকদের।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর