শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

অর্থের অভাবে চিকিৎসা হচ্ছেনা, বাঁচার আকুতি জয়নালের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৮ জুন ২০২৫, ১৩:৪১

অর্থের অভাবে অচেনা রোগে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা করাতে পারছেনা জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার খাসবাগুড়ী এলাকার মৃত অফিজ উদ্দীনের ছেলে জয়নাল আবেদীন (৫০)। তিনি পেশায় একজন 'ছ' মিলের শ্রমিক হলেও রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে বেকার হয়ে পরেছেন। অর্থের অভাবে উন্নত চিকিৎসা নিতে পারছেন না।

জানাগেছে, পাঁচবিবি উপজেলার বালিঘাটা ইউনিয়নের খাসবাগুড়ী গ্রামের জয়নাল আবেদীন পেশায় একজন ছিলেন 'ছ' মিলের শ্রমিক। স্থানীয় একটি 'ছ' মিলে কাজ করতেন তিনি। যা উপার্জন হত তা দিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে জীবনযাপন করতেন। নিজের বসতভিটা না থাকলেও পাশেই ভগ্নিপতির বাড়ী সেখানেই আশ্রিত থাকেন তিনি। এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার পর থেকে সে আর কোনো কাজ করতে পারেনা। বেকার হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন। জয়নালের দিন চলে এখন মানুষের দ্বারে দ্বারে গিয়ে হাত পাতিয়ে ভিক্ষা করে।

জয়নাল আবেদীন বলেন, প্রায় এক বছর আগে স্ত্রীকে নিয়ে নিজ ঘরেই ঘুমিয়ে ছিলেন তিনি। হঠাৎ করেই রাত ১ টার দিকে তার মাথায় টিউমার সাদৃশ্য হয়ে ফুলে উঠে। এতে রাতে কিছুটা বিচলিত হলেও পরের দিন সকালে ঘুম থেকে উঠেই 'ছ' মিলের মালিকের সঙ্গে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য যাই। সেখানকার চিকিৎসক পরীক্ষা নিরীক্ষা করে কি রোগে আক্রান্ত হয়েছি সেটি নির্নয় করতে না পারলেও কিছু ওষুধ লেখে দেয় এবং উন্নত চিকিৎসার পরামর্শ দেন।

তিনি আরোও বলেন, এঘটনায় রাজশাহী থেকে বাসায় ফেরে স্ত্রী আমার এমতাবস্থায় দেখে সেও স্টক করে মারা যায়। সংসার জীবনে এক ছেলে এক মেয়ে আমার। মেয়েকে বিয়ে দিয়েছি অন্যত্র। ছেলে ছোটখাটো একটা কোম্পানিতে চাকরি করে বাহিরে থাকে। আমি একা মানুষ ভিক্ষা করে যা পাই তা দিয়ে কোনো রকমে দিন যায় কিন্তু ওষুধ কিনার টাকা নাই। সরকারের কাছে আবেদন আমার যেন চিকিৎসার ব্যবস্থা করে।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর