শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

আগামী সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকাকে সাজানো হবে নতুন পরিকল্পনায়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৬ জুন ২০২৫, ১৬:৫০

প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা ও বায়ুদূষণ কমাতে বড় পরিসরে বনয়ন কর্মসূচি শুরু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। বৃহস্পতিবার সকালে পূর্বাচল নতুন শহরের হারারবাড়ি চত্বরে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দ রিজওয়ান হাসান।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ঢাকায় কোনো খোলা মাটি বা ওপেন সয়েল না রাখার পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ জানান, “ওপেন সয়েল অর্থাৎ খোলা মাটিতে ধুলো জমে বায়ুদূষণ বাড়ায়। তাই ঢাকায় ধুলোকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সব খোলা মাটি গাছ দিয়ে ঢেকে ফেলা হবে।”

‘জিরো সয়েল’ নামে এ প্রকল্পের মাধ্যমে শহরের প্রতিটি খোলা জায়গায় গাছ লাগানো হবে।* এর ফলে বায়ুদূষণ কমে আসবে এবং শহরের গড় তাপমাত্রাও উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
 
পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দ রিজওয়ান হাসান বলেন, “শহরের তাপমাত্রা কমাতে হলে আমাদের ওয়াটার বডি বাড়াতে হবে এবং প্রচুর গাছ লাগাতে হবে। এজন্য সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় জিরো সয়েল বাস্তবায়নের কাজ পুরোদমে শুরু হবে।”

উপদেষ্টা আরও বলেন, “আপনাদের যাদের বাড়িতে ছাদ আছে, সেখানে গাছ লাগান। আমরা চাই শুধু সরকারি পর্যায়ে নয়, নাগরিকরাও এই উদ্যোগে সক্রিয়ভাবে অংশ নিক।”তিনি জানান, পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকাকে বিভিন্ন জোনে ভাগ করে একটি *সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করছে, যাতে সেপ্টেম্বরের মধ্যেই এর বাস্তবায়ন শুরু করা সম্ভব হয়।

ডিএনসিসি প্রশাসক মোহাম্মদ এজাজ বলেন, “ঢাকা শহরের তাপমাত্রা ও ধুলাবালি নিয়ন্ত্রণে সবার সহযোগিতা দরকার। নাগরিকরা যদি এগিয়ে আসে, তাহলে ঢাকাকে বসবাসযোগ্য ও পরিবেশবান্ধব করে গড়ে তোলা সম্ভব।”


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর