শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

ইরানের পাশে চীন, দিচ্ছে জে-১০সি যুদ্ধবিমান

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ জুলাই ২০২৫, ১৬:০৩

ইরান-ইসরাইল সাম্প্রতিক সংঘাতের পর মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে কূটনৈতিক উত্তাপ ছড়াতে শুরু করেছে। এই পরিস্থিতিতে ইরানের পাশে দাঁড়িয়েছে চীন। ইরানের শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচিতে প্রকাশ্য সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং। সেই সঙ্গে ইরানে ইসরাইলের হামলাকে ‘অবৈধ’ বলে আখ্যা দিয়েছে শি জিনপিংয়ের নেতৃত্বাধীন চীন।

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক আইনের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন করেছে ইসরাইল এবং তাদের এই আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। শুধু সমর্থনেই সীমাবদ্ধ না থেকে এবার ইরানকে শক্তি সঞ্চারের বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছে বেইজিং। চীনের কাছ থেকে অত্যাধুনিক জে-১০সি যুদ্ধবিমান কিনছে ইরান।

১২ দিনের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ইসরাইলের সঙ্গে মুখোমুখি হওয়ার পর নতুন করে আকাশ প্রতিরক্ষা ও আক্রমণ ক্ষমতা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নিয়েছে ইরান। সেই পরিকল্পনার বড় অংশ জুড়ে রয়েছে চীনের তৈরি চতুর্থ প্লাস জেনারেশনের জে-১০সি যুদ্ধবিমান। বহুমুখী এই যুদ্ধবিমান আকাশ যুদ্ধের পাশাপাশি স্থলভাগ ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধে কার্যকরভাবে ব্যবহারের জন্য সুপরিচিত। চেংদু এরোস্পেস কর্পোরেশন কর্তৃক নির্মিত এই জেটকে অনেকেই ‘শক্তিশালী ড্রাগন’ নামে অভিহিত করে থাকেন।

এর আগেও পাকিস্তান এই যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে কৌশলগত সুবিধা পেয়েছে বলে জানায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ মহল।

ইরান-ইসরাইল যুদ্ধের শুরু থেকেই তেহরানের পাশে ছিল চীন। ইসরাইলের অতর্কিত হামলার বিরুদ্ধে কড়া ভাষায় নিন্দা জানায় বেইজিং। এমনকি যুদ্ধ চলাকালে চীন থেকে ইরানে যাওয়া রহস্যময় কার্গো বিমানের কারণে ধারণা করা হয়, চীন গোপনে ইরানকে সামরিক সহযোগিতা দিচ্ছে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে ইসরাইলের সমালোচনা করে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেন, ‘ইরানের পরমাণু ইস্যুতে যুদ্ধ নয়, কূটনীতিই হতে হবে সমাধান।’ ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ওয়াং ই আরও বলেন, ইরানের সর্বোচ্চ নেতার শান্তিপূর্ণ পরমাণু কর্মসূচির প্রতিশ্রুতির প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে চীন।

এসময় তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকারও তীব্র সমালোচনা করেন। বলেন, ‘একটি সার্বভৌম দেশের পরমাণু স্থাপনায় প্রকাশ্যে বোমা হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্র এক নেতিবাচক নজির স্থাপন করেছে।’

চীন-ইরান সম্পর্কের এই ঘনিষ্ঠতা নতুন এক ভূরাজনৈতিক সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর