প্রকাশিত:
১৩ জুলাই ২০২৫, ১৬:৪৭
সাভারের আশুলিয়ায় অপহরণের পর জীবন (১২) নামের এক শিশুকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় ঘাতক রাব্বানীকে (১৯) গ্রেপ্তার করেছে আশুলিয়া থানা পুলিশ। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরিও উদ্ধার করা হয়েছে।
রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে আশুলিয়া থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম, অপস ও ট্রাফিক) আরাফাতুল ইসলাম।
এর আগে শনিবার দিবাগত রাতে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে রাব্বানীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য মতে, জঙ্গল থেকে নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত জীবন আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকার মজিবর শেখের ছেলে। আর গ্রেপ্তার রাব্বানী নওগাঁর মান্দা উপজেলার ছুতিপুর এলাকার মিলন মোল্লার ছেলে। সে আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকায় থেকে নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করতো।
সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরাফাতুল ইসলাম জানান, গত ১০ জুলাই বিকেল ৪ টার দিকে আশুলিয়ার কাঠগড়া এলাকা থেকে জীবনকে অপহরণ করা হয় । পরে তার বাবার মুঠোফোনে কল করে মুক্তিপণ দাবি করে অপহরণকারী। এ ঘটনায় ১১ জুলাই রাতে জীবনের বাবা আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
পরে তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এবং গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আশুলিয়ার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ঘাতক রাব্বানীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পরে তার দেওয়া তথ্যমতে, আশুলিয়ার কাঠগড়া গলাকাটা মোড় এলাকার একটি জঙ্গল থেকে অপহৃত জীবনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ সময় হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আরো জানান, কথা-কাটাকাটির জের ধরেই জীবনকে অপহরণ এবং পরে গলাকেটে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে গ্রেপ্তার রাব্বানী।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, আশুলিয়া থানার ওসি আব্দুল হাননান, ওসি (অপারেশনস) সফিকুল ইসলাম সুমনসহ সাভার ও আশুলিয়ায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় কর্মরত সংবাদকর্মীরা।
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় পানিতে ডুবে দেড় বছরের এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আজ রবিবার (১৩ জুলাই) দুপুরে উপজেলার পোগলা ইউনিয়নের পোগলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরিবার সূত্রে জানা যায়, নিহত শিশুর নাম জাভেদ। সে ওই গ্রামের সাগর মিয়ার সন্তান।
আজ রবিবার দুপুরে খেলতে খেলতে পরিবারের অজান্তে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায় জাভেদ। সে হামাগুড়ি দিতে পারত। কিছুক্ষণ পর তাকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। এক পর্যায়ে পুকুরে তাকে ভাসতে দেখে উদ্ধার করে কলমাকান্দা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. সৌরভ ঘোষ শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
কলমাকান্দা থানার ওসি মোহাম্মদ লুৎফর রহমান বলেন, খবর পাওয়ার পর পুলিশ হাসপাতাল ও ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে শিশুটির মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
মন্তব্য করুন: