শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

প্রেস সচিব

সরকার খুব দ্রুতই নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৫ জুলাই ২০২৫, ১১:৫৯

অন্তর্বর্তী সরকার খুব দ্রুতই নির্বাচনের দিকে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়িয়েছে। পলিটিক্যাল স্ট্যাবিলিটি আসছে। আমরা দ্রুত নির্বাচনের দিকে ধাবিত হচ্ছি।

’একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘অন্তর্বর্তী সরকারের যে তিনটা মেজর কাজ। সংস্কার, বিচার ও নির্বাচন— এই কাজগুলো যথেষ্ট ভালো গতিতে এগোচ্ছে। অনেকেই ভাবছেন রিফর্মটা পাঁচ বা সাত দিনে দুই তিনটা মিটিং করলেই তো হয়ে যায়।

আসলে এই কাজগুলো তো এত সহজে হয় না। অন্যান্য দেশের পলিটিক্যাল রিফর্মের হিস্ট্রি যদি আপনি দেখেন, এটা অনেক ক্ষেত্রে অনেক বছর লেগে যায়। নেপালের ক্ষেত্রে একটা সংবিধান করতে সাড়ে ৮ বছর লেগেছে। কারণ এটা নিয়ে ডিবেট করতে হয়।

কোনটা চলবে, কোনটা চলবে না। কিছু কিছু রিফর্ম আমরা অলরেডি করে ফেলেছি। কিছু কিছু চলমান বা সামনে হবে।’

প্রেস সচিব বলেন, ‘আমাদের কাজ হচ্ছে আগামী বছরের প্রথম দিকে যে ইলেকশনটা হবে, তখন যে ডেমোক্র্যাটিক গভমেন্ট আসবে, তার কাছে যেন আরো বেটার বাংলাদেশকে রেখে যেতে পারি। সেই জায়গা থেকেই যেন বাংলাদেশটা এগিয়ে যায়।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরো বেটার হলে সবার জন্য ভালো হতো বলে আমরা মনে করি। কোনো ঘটনা ঘটলে খুব দ্রুত গ্রেপ্তার হচ্ছে। বিচারের সম্মুখিন হচ্ছে। তবে এটা আগেই প্রিভেন্ট করা গেলে ভালো হতো। সেটার জন্য পুলিশ বা আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে যেখানে নিয়ে যাওয়া দরকার, সেটা একটা কঠিন কাজ, কিন্তু আমরা অনবরত এটা করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘সবার বোঝা উচিত আমরা একটা বিপ্লবোত্তর কান্ট্রিতে আছি। প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলের সমর্থন নিয়ে আমরা এখানে আসছি। তারা যখন আমাদের সবটুকু দিয়ে সাপোর্ট দেয়, তখন আমরা কাজগুলো করতে পারি। সেই অনুযায়ী আমরা কাজ করছি।’

শফিকুল আলম বলেন, ‘পুলিশের তো কনফিডেন্ট একদম জিরো ছিল। সেই জায়গা থেকে তাদের কনফিডেন্ট যত বাড়ানো যায়, দেখেন ঢাকায় ৩৫ হাজার পুলিশ ছিল, আমরা ৩২ হাজারকেই অন্যান্য ডিস্ট্রিকে পাঠিয়ে দিয়েছি। বাকিদের বাইরে থেকে নিয়ে এসেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘শেখ হাসিনার আমলে ১ লাখ ২০ হাজার পুলিশ নতুন রিক্রুট করা হয়েছে। তাদের অনেকেরই ছাত্রলীগের ব্যাকগ্রাউন্ড। ইচ্ছা করলেই তো আমরা অনেক কিছু করতে পারছি না, কিন্তু আমাদের চেষ্টাটা আছে। আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো করার জন্য।’

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর