শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

সৈয়দপুরে পুলিশের গুলিতে শতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৭ জুলাই ২০২৫, ১৬:২৮

গত বছর জুলাই মাসটি বৈষম্যবিরোধী ছাত্রজনতার আন্দোলনে উত্তাল ছিল সৈয়দপুর। তবে ১৮ জুলাই দিনটি এ জনপদবাসীর কাছে চির স্মরণীয় হয়ে থাকবে। সাধারণ শিক্ষার্থীর শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশের আকস্মিক গুলিবর্ষণ, কাদানে গ্যাস ও বিস্ফোরণের শব্দে প্রকম্পিত হয় সৈয়দপুর। হতভম্ব হন শহরবাসী।

নিরস্ত্র ছাত্ররা গুলিতে রক্তাক্ত হয়ে সমাবশ স্থল তাগ করে। তবে পুলিশের এমন আচরণ মেনে নিতে পারেনি কেউ।

এদিন বেলা সাড়ে ১১ টায় উপজেলার সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিমানবন্দর সড়কস্থ সিপিবি মোড়ে সমবেত হন। তারা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে সংস্কার ও মেধাভিত্তিক নিয়োগে সরকারি পরিপত্র বহাল রাখার দাবির প্রতি একাত্মতা ঘোষণা করে ট্রেন অবরোধ, মিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ কর্মসূচি পালন করেন।

এদিন শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সৈয়দপুর প্রেসক্লাবের সামনে একত্র হয়। সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে পাঁচমাথা মোড়ে যায়। সেখানে নিহতের স্মরণে এক মিনিটি নীরবতা পালন করেন। বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা আধা ঘন্টা রেললাইন অবরোধ করে। পরে শিক্ষার্থীরা শান্তিপূর্ণ ভাবে সমাবেশ শুরু করেন। দুপুর দেড়টায় আকস্মিকভাবে সমবেত শিক্ষার্থীর ওপরে পুলিশ গুলি বর্ষণ শুরু করে। এত আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়। প্রায় দেড় শতাধিক ছাত্র আহত হন। পরে শিক্ষার্থীরা সৈয়দপুর কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে যান এবং সেখানে সমাবেশ করেন।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, সরকারি সব চাকরিতে সব ধরনের কোটা বাতিল করে মেধার ভিত্তিতে নিয়োগ প্রদানের দাবি জানান। দেশকে মেধাশূন্য করার চক্রান্ত রোধে কোটা বাতিলের দাবি দেশব্যাপী চলমান আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে এখন পর্যন্ত যেসব ব্যক্তি নিহত ও আহত হয়েছে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ারও দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। না হলে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। এদিন বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি সৈয়দপুর, সৈয়দপুর ক্যান্টপাবলিক স্কুল এ্যান্ড কলেজ, সৈয়দপুর সরকারি কলেজ, সৈয়দপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, সানফ্লাওয়ার স্কুল এ্যান্ড কলেজ, লায়ন্স স্কুল এ্যন্ড কলেজ, আল ফারুক একাডেমিসহ অন্যন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় দশ হাজার শিক্ষার্থী এ আন্দোলনে অংশ নেয়।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর