শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

এবার চ্যাটজিপিটি নিয়ে গবেষকদের সতর্কবার্তা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২০ জুলাই ২০২৫, ১৭:১৯

বিশ্বজুড়ে ভাষা ও সংস্কৃতির উপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), বিশেষ করে ChatGPT’র মতো লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (LLM)। এসব এআই ব্যবস্থার কারণে মানুষের দৈনন্দিন কথাবার্তার ধরণ পরিবর্তন হচ্ছে এবং ভাষা একঘেয়ে হয়ে পড়ছে বলে সতর্ক করেছেন জার্মানির ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক ইনস্টিটিউট ফর হিউম্যান ডেভেলপমেন্টের গবেষকরা।

গবেষকদের দাবি, ২০২২ সালে চ্যাটজিপিটি বাজারে আসার পর থেকেই মানুষের কথোপকথনে এআই-এর পছন্দের কিছু নির্দিষ্ট শব্দের ব্যবহার বেড়ে গেছে। যেমন—comprehend, boost, swift, meticulous, delve—এই শব্দগুলো আগের তুলনায় এখন অনেক বেশি ব্যবহৃত হচ্ছে, যার মধ্যে “delve” সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত। এসব শব্দকে গবেষকেরা বলছেন “জিপিটি শব্দ”।

গবেষণা অনুযায়ী, ইউটিউবের ৩ লাখ ৬০ হাজার ৪৫টি একাডেমিক ভিডিও এবং ৭ লাখ ৭১ হাজার ৫৯১টি পডকাস্ট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, এসব শব্দের ব্যবহার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। অর্থাৎ, এআই-এর প্রভাবে মানুষের কথাবার্তায় একটি নির্দিষ্ট ছাঁদ তৈরি হচ্ছে।

গবেষকদের মতে, মানুষের মধ্যে সরাসরি কথোপকথনেও এখন এলএলএমের প্রভাব স্পষ্ট, যা একটি গভীর জ্ঞানীয় প্রক্রিয়া বা cognitive mechanism-এর ইঙ্গিত দিতে পারে। যদিও গবেষকেরা স্বীকার করেছেন, এই শব্দগুলো মানুষের ভাষায় কীভাবে ঢুকে পড়ছে, সেটি এখনও পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়নি।

তবে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, ভাষা ও সংস্কৃতিতে এআই-এর এই হস্তক্ষেপ ভবিষ্যতে একটি “বন্ধ সাংস্কৃতিক প্রতিক্রিয়া চক্র” (closed cultural feedback loop) তৈরি করতে পারে। এই চক্রে মানুষ এবং মেশিন পরস্পরের ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক অভ্যাসকে বারবার প্রতিফলিত করতে করতে একসময় ভাষা ও সংস্কৃতির বৈচিত্র্য হারাতে পারে।

গবেষণা প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যদি ভবিষ্যতের এআই সিস্টেমগুলো নির্দিষ্ট কিছু সংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্যকে অগ্রাধিকার দেয়, তাহলে তা ভাষাগত এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যকে দ্রুত ক্ষয় করে ফেলতে পারে। অর্থাৎ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যেমন সুবিধা আনছে, তেমনি এটি একটি সাংস্কৃতিক সংকটেরও কারণ হয়ে উঠতে পারে।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর