শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

ওয়েন-গ্রিনের ঝড়ে অস্ট্রেলিয়ার নাটকীয় জয়

খেলা ডেস্ক

প্রকাশিত:
২১ জুলাই ২০২৫, ১১:৫৯

স্যাবাইনা পার্কে অভিষেকেই বাজিমাত করলেন মিচেল ওয়েন। ব্যাটে-বলে দুর্দান্ত অলরাউন্ড নৈপুণ্যে তিনি হয়ে উঠলেন ম্যাচের নায়ক। ক্যামেরন গ্রিনের সঙ্গে তার বিধ্বংসী জুটি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টানটান উত্তেজনায় ভরপুর প্রথম টি-টোয়েন্টিতে অস্ট্রেলিয়াকে এনে দিল ৩ উইকেটের নাটকীয় জয়।

টি-টোয়েন্টি অভিষেকে হাফসেঞ্চুরি করে ওয়েন নিজের নাম লিখিয়েছেন রিকি পন্টিং ও ডেভিড ওয়ার্নারের পাশে।

২৭ বলে ৬টি ছক্কায় সাজানো ছিল তার ৫০ রানের ইনিংস। গ্রিনও ছিলেন সমান আক্রমণাত্মক। ২৬ বলে ৫টি ছক্কা আর ২টি চারে করেন ৫১ রান। অস্ট্রেলিয়া ৭৮ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে যখন বিপদে, দুজন মিলে ৪০ বলে ৮০ রানের জুটি গড়ে হাল ধরেন দলের।

তার আগে শাই হোপ (৫৫) ও রোস্টন চেজ (৬০) জোড়া হাফসেঞ্চুরি করে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে এনে দিয়েছিলেন বড় রানের স্বপ্ন। চেজের স্ট্রোকপ্লে ছিল চোখ ধাঁধানো। কিন্তু ইনিংসের শেষ ৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩০ রান তুলতে পারে ক্যারিবিয়ানরা।

শেষদিকে দুর্দান্ত ডেথ বোলিং করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন বেন ডোয়ারশুইস ও নাথান এলিস। তাদের দুরন্ত স্পেলেই রানের দিক থেকে এগিয়ে থাকা ওয়েস্ট ইন্ডিজ বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হয়।

বেন ডোয়ারশুইস ৪ উইকেট নেন। যার মধ্যে এক ওভারে ৩টি। এলিস ও ডোয়ারশুইস শেষ ১৬ বলে মাত্র ৭ রান দিয়ে ৪ উইকেট শিকার করেন। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে ওপেন করতে নেমে আবারও হতাশ করলেন ফ্রেজার-ম্যাকগার্ক।

মাত্র ২ রান করে ফেরেন তিনি। মিচেল মার্শ ৩টি ছক্কা মারলেও মাত্র ১৮ রানেই আউট হন। ইংলিস (১৪) ও ম্যাক্সওয়েল (১১) কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি।

গ্রিনের ধীরস্থির শুরু, বুদ্ধিদীপ্ত ব্যাটিং এবং ঝড়ো শেষ যেন অস্ট্রেলিয়াকে এনে দেয় স্বস্তি। আর ওয়েন ছিলেন একদমই ভয়ডরহীন। রাসেলকে প্রথম বলেই ছক্কা, পরে আকিল হোসেইনকে এক ওভারে ৩টি ছক্কা মেরে ম্যাচের রঙ পাল্টে দেন। গ্রিন যখন ৫০ করে আউট হন, তখনো ৩২ রান দরকার ছিল ৩১ বলে। ওয়েন পরে ২৬ বলে হাফসেঞ্চুরি পূর্ণ করলেও, তিনি ফিরলে ম্যাচ জমে যায়।

শেষদিকে কনোলি, ডোয়ারশুইস ও অ্যাবট মিলে চাপ সামলে নেন। শেষ ওভারে ক্যাচ ফেলেন ক্যারিবিয়ান ফিল্ডার জুয়েল অ্যান্ড্রু, রানআউট সুযোগও মিস করে। শেষপর্যন্ত ৭ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ জিতে নেয় অজিরা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর