প্রকাশিত:
৫ আগষ্ট ২০২৫, ১৫:৩৯
জুলাই থেকে চীনের গুয়াংডং প্রদেশে মশাবাহিত চিকুনগুনিয়া ভাইরাসে সাত হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ফোশান শহরে চিকুনগুনিয়া রোগীদের অবশ্যই হাসপাতালে থাকতে হবে বলে জানিয়েছে চীনা কর্তৃপক্ষ। সেখানে পরীক্ষায় নেগেটিভ আসার পর বা এক সপ্তাহ থাকার পর তাদের ছেড়ে দেওয়া যাবে। এসময় তাদের শয্যা মশারি দিয়ে সুরক্ষিত থাকবে।
ভাইরাসটি সংক্রামিত মশার কামড়ের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে জ্বর এবং গুরুতর জয়েন্টে ব্যথা সৃষ্টি করে, যা কখনও কখনও বছরের পর বছর ধরে স্থায়ী হতে পারে।
চীনে বিরল হলেও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকার কিছু অংশে চিকুনগুনিয়ার প্রাদুর্ভাব সাধারণ।
ফোশান ছাড়াও দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংডং প্রদেশের আরও অন্তত ১২টি শহরে সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। এর মধ্যে শুধু গত সপ্তাহেই প্রায় তিন হাজার রোগী শনাক্ত হয়েছে।
হংকংয়ে সোমবার প্রথম সংক্রমণের খবর পাওয়া গেছে। ১২ বছর বয়সী একটি ছেলে জুলাই মাসে ফোশান ভ্রমণের পরে জ্বর, ফুসকুড়ি এবং জয়েন্টে ব্যথা অনুভব করেছিল।
ভাইরাসটি সংক্রামক নয়, তবে সংক্রামিত ব্যক্তিকে মশা কামড়া়নোর পর সে মশা অন্যকে কামড়ালে তা ছড়িয়ে পড়ে।
কর্মকর্তারা বলছেন যে রিপোর্ট করা বেশিরভাগ রোগীর গুরুতর কিছু হয়নি। এখন পর্যন্ত ৯৫ শতাংশ রোগীকে সাত দিনের মধ্যে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
তারপরও দেশটিতে ভাইরাসটি সাধারণ না হওয়ায় ঘটনাগুলো কিছুটা আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের পর চীন ভ্রমণকারীদের ‘বাড়তি সতর্কতা’ অবলম্বন করার আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
মন্তব্য করুন: