প্রকাশিত:
১১ আগষ্ট ২০২৫, ১২:১৫
উপদেষ্টারা কেন তাদের সম্পদের বিবরণী, আয়ের বিবরণী এই এক বছরেও প্রকাশ করার সাহস পেলেন না বলে প্রশ্ন করেছেন সাংবাদিক মঞ্জুরুল আলম পান্না।
তিনি বলেন, তাদের দুর্বলতা কোথায়? এখান থেকে যদি আমরা দাবি করি, উপদেষ্টারা দুর্নীতি করছেন এবং সেই দুর্নীতির পরিমাণ সীমাহীন তাহলে কি অযৌক্তিক কিছু বলা হবে?
সম্প্রতি নিজের ইউটিউব চ্যানেলের এক ভিডিও বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন। মঞ্জুরুল আলম পান্না বলেন, বেশ কয়েকজন উপদেষ্টার এপিএস-এর দুর্নীতির বিষয়ে যে অভিযোগগুলো এলো সেটি নিয়ে কি করা হয়েছে? একেবারে তো ধামাচাপা পড়ে গেছে। আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার এপিএস ৩০০ কোটি টাকা আয় করেছেন, তিনি যে কয়দিন ছিলেন সেই কয়দিনে।
সেটাও ধামাচাপা পড়ে গেল। দুদক কেন কোনো ধরনের তদন্ত করলো না? এই প্রশ্নগুলোর উত্তর কি?
পান্না বলেন, সরকারের উপদেষ্টাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে এখন সরকারের ভেতর থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল, সুশীল সমাজ, সাধারণ মানুষ সব মহলে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এই সরকার শপথ নেয়ার পরে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতির উদ্দেশ্যে দ্বিতীয় দফায় ভাষণে বলেছিলেন— তার নিজের সম্পদের বিবরণী সহ সব উপদেষ্টার আয় এবং সম্পদের বিবরণী প্রকাশ করা হবে। পর্যায়ক্রমে এটি সরকারি কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রেও নিয়মিত ও বাধ্যতামূলক করা হবে।
পরবর্তীতে দেখলাম যে একটা খসড়া নীতিমালা প্রকাশ করা হলো। সেই নীতিমালাটি ১৯শে সেপ্টেম্বর উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে অনুমোদনও হয়।
পান্না আরো বলেন, এক বছর হয়ে গেল— কোন উপদেষ্টা আজ অবধি তাদের সম্পদ বা আয়ের বিবরণী প্রকাশ করেননি। একমাত্র নাহিদ ইসলাম এনসিপির যিনি বর্তমান আহ্বায়ক, তিনি যখন ডাক ও টেলিযোগাযোগ বা অন্য আরেকটি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন— একেবারে শেষ পর্যায়ে তার সম্পদ এবং আয়ের বিবরণী প্রকাশ করেছিলেন।
তবে সেটি নিয়েও প্রশ্ন আছে।
মন্তব্য করুন: