প্রকাশিত:
১১ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:৪১
রবিবার সন্ধ্যায় তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় বালিকেসির প্রদেশে ৬.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে একজনের মৃত্যু হয়েছে। তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল সিনদিরগি শহরে ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করার কিছুক্ষণ পরই ৮১ বছর বয়সী এক নারী মারা যান।
আলি ইয়েরলিকায়া আরো জানান, ভূমিকম্পে ১৬টি ভবন ধসে পড়েছে এবং অন্তত ২৯ জন আহত হয়েছেন।
তুরস্কের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানায়, স্থানীয় সময় রবিবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৩ মিনিটে (গ্রিনিচ মান সময় ১৬:৫৩) এই ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যা ইস্তাম্বুল পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে।
রাষ্ট্রপতি রিসেপ তাইয়িপ এরদোয়ান এক বিবৃতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে বলেন, উদ্ধার ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘আল্লাহ আমাদের দেশকে সব ধরনের দুর্যোগ থেকে রক্ষা করুন।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শেষ হয়েছে এবং বড় ধরনের অন্য কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে সিনদিরগি থেকে পাওয়া ছবিতে দেখা গেছে, বড় বড় ভবন সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে এবং সেখানে বিশাল ধাতব কাঠামো ও ধ্বংসাবশেষের স্তূপ জমে আছে।
তুরস্ক তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়ই ভূমিকম্প হয়। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ৭.৮ মাত্রার ভয়াবহ ভূমিকম্পে তুরস্কে ৫০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয় এবং প্রতিবেশী সিরিয়ায় আরো প্রায় ৫ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়। দুই বছরের বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো লাখো মানুষ গৃহহীন অবস্থায় রয়েছেন।
মন্তব্য করুন: