শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

ড্রেনের ময়লা পানিতে মাছ চাষ, বিক্রি হচ্ছে হোটেল রেস্তোরাঁয়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১৪ আগষ্ট ২০২৫, ১৪:০৪

ঢাকার নিকুঞ্জ এলাকায় অবৈধভাগে গড়ে উঠেছে এক মৎস খামার, যেখানে ড্রেনের ময়লা ও মুরগির নাড়িভুড়ি দিয়ে মাছ চাষ হচ্ছে। মাছ চাষের স্থানটি এতটাই দুর্গন্ধযুক্ত ও দূষিত যে, সেখানে মানুষ সাধারণত দাঁড়িয়েই থাকতে পারে না। ময়লা আর গন্ধে দূষিত পরিবেশে গড়ে উঠেনি কোনো টং দোকানও। কিন্তু এখানে চাষ করা মাছই পাইকারি বাজারের মাধ্যমে বিভিন্ন রেস্তোরাঁ ও ভোক্তাদের প্লেটে চলে যাচ্ছে!

মৎস খামারে কর্মরতদের তথ্যানুযায়ী, রেলের জায়গা দখল করে এই মৎস খামার পরিচালনা করছেন জুয়েল নামের একজন।

অবৈধভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন তিনি। তবে খামারের বিষয়ে কোনো তথ্য বা মন্তব্য করতে রাজি হননি জুয়েল।

তবে সেখানে কর্মরত একজন জানান মাছ চাষের বিষয়ে। মাছের খাবার কোথা থেকে আনা হয়, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘এগুলা মুরগির দোকান থেকে আনি।

মুরগির ভুড়ি, চামড়া, আবার গলার ভিতরে খাবার গুলো থাকে, সেগুলো। এসব পাইকারি দিয়ে যায় আমাদের।

এদিকে স্থানীয়রা বলছেন, মাছের নামে ময়লা খাচ্ছে মানুষ। মাছ ময়লা খাচ্ছে, এই কারণে তো বেশি রোগ জীবানু ছড়াচ্ছে মানুষের মাঝে।

কেউ কেউ বলছেন, এখানে কিছু মাগুর মাছ চাষ হয় যা কোনোভাবেই খাওয়া উচিত না। এটা খাওয়ার একদম উপযোগী নয়। এমনকী খামারের কর্মচারীও জানালেন, তিনি নিজে এ মাঝ কখনো পাতে তুলেননি।

২০২৩ সালে মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আইন অধিশাখা থেকে প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, দেশে আফ্রিকান মাগুর আমদানি, প্রজনন, চাষ, বহন, বাজারজাত ও বিক্রি সর্বপর্যায়ে নিষিদ্ধ। তবে মৎস অধিদপ্তরের নীরবতায় এভাবেই খোদ ঢাকায় ড্রেনের ময়লা আর মুরগির নাড়ি ভুড়ি খেয়ে বেড়ে উঠা মাছই চলে যাচ্ছে আমিষভুজি মানুষের প্লেটে।

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় নীরবতা ভেঙে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো উদ্যোগ নিবে এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর