শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

কোল্ড ড্রিংকস কি হতে পারে কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণ?

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৫ আগষ্ট ২০২৫, ১৩:৫৩

ভারি খাবারের পর অনেকেই স্বস্তির জন্য কোলা জাতীয় কার্বনেটেড পানীয় পান করেন। কিন্তু আপনি কি জানেন, এই অভ্যাস দীর্ঘমেয়াদে শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর? চলুন, জেনে নিই।

অতিরিক্ত চিনি ও স্বাস্থ্যঝুঁকি

কার্বনেটেড ড্রিংকস, বিশেষ করে যেগুলোতে চিনি বেশি, তা ওজন বৃদ্ধি, টাইপ-২ ডায়াবেটিস, হৃদরোগ ও দাঁতের ক্ষয়ের মতো নানা সমস্যার কারণ হতে পারে। চিনি ও অ্যাসিড মিলে দাঁতের এনামেল ক্ষয় করে দেয়, ফলে গর্ত ও দাঁতের ক্ষয় দেখা দেয়।

হাড় দুর্বল? ফসফরিক অ্যাসিডের কারণে

অনেক কোলাতে থাকা ফসফরিক অ্যাসিড শরীরের ক্যালসিয়াম শোষণে বাধা সৃষ্টি করে, যা হাড় দুর্বল করার ঝুঁকি বাড়ায়।

কিডনিতে পাথর?

গবেষণায় দেখা গেছে, যারা প্রতিদিন এক বা একাধিক গ্লাস চিনি-মিশ্রিত কোলা পান করেন, তাদের কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি প্রায় ২৩% বেশি। অন্যদিকে, নন-কোলা মিষ্টিযুক্ত পানীয়ের ঝুঁকি ৩৩% পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে। ব্রাজিলের একজন ইউরোলজিস্ট, ডা. থ্যালেস আন্দ্রেড, এক রোগীর কেস শেয়ার করেন।

যিনি প্রতিদিন ২-৩ লিটার কোলা পান করতেন এবং তার মূত্রাশয় থেকে ৩৫টি কিডনির পাথর অপসারণ করতে হয়েছিল।

কারণ

ফসফরিক অ্যাসিড প্রস্রাবকে অ্যাসিডিক করে তোলে, যা পাথর গঠনে সহায়তা করে। ফ্রুক্টোজ কর্ন সিরাপ ক্যালসিয়াম, অক্সালেট এবং ইউরিক অ্যাসিডের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। এগুলো কিডনির পাথরের মূল উপাদান।

স্পার্কলিং ওয়াটারে (যেমন মিনারেল ওয়াটার) এই ধরনের ঝুঁকি নেই, তবে অতিরিক্ত সোডিয়াম এড়িয়ে চলা ভালো।

কিডনি-বান্ধব পানীয়ের বিকল্প

১। পানি
সবচেয়ে ভালো বিকল্প। প্রতিদিন ২–৩ লিটার পানি পান করুন যাতে প্রস্রাব ফ্যাকাশে রঙের থাকে। এটি স্ফটিক জমা হতে দেয় না।

২। লেবুর রস

লেবু বা কমলার রসে থাকা সাইট্রেট ক্যালসিয়াম অক্সালেট পাথর প্রতিরোধ করে। প্রতিদিন ১/২ কাপ লেবুর রস পানিতে মিশিয়ে পান করুন।

৩। কফি ও চা

ক্যাফেইনযুক্ত বা ক্যাফেইনমুক্ত কফি, গ্রিন টি—সবই কিডনি পাথরের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে। গ্রিন টিতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাথর গঠন রোধে সহায়ক।

অন্যান্য বিকল্প: ডাবের পানি, ডালিমের রস, ভেষজ চা। এসব পানীয় প্রাকৃতিকভাবে মূত্রবর্ধক এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর, যা কিডনিকে সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর