শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

পাকিস্তানে সরকারি হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, নিহত ৫

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৩:৫৯

পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলে চিলাসের কাছে গিলগিত-বালতিস্তান প্রদেশ সরকারের একটি হেলিকপ্টার পাঁচজন আরোহীসহ সোমবার ১ (সেপ্টেম্বর) বিধ্বস্ত হয়েছে। ঘটনাটি নিশ্চিত করেছেন গিলগিত-বালতিস্তান সরকারের মুখপাত্র।

তিনি জানান, দুর্ঘটনার সময় হেলিকপ্টারে দুই পাইলট ও তিনজন প্রযুক্তিগত কর্মী ছিলেন। প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে ও ইতোমধ্যে উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ডায়মার জেলার জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা আব্দুল হামিদ এএফপিকে জানিয়েছেন, হেলিকপ্টারটি একটি পাহাড়ি পর্যটন এলাকায় ‘নতুন প্রস্তাবিত হেলিপ্যাডে পরীক্ষামূলক অবতরণের’ সময় বিধ্বস্ত হয়।

এর আগে গত ১৫ আগস্ট মোমন্দ জেলায় ত্রাণ কার্যক্রমে অংশ নিতে গিয়ে খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের একটি এমআই-১৭ হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়। এতে দুই পাইলটসহ পাঁচ জন কর্মী নিহত হন।

হেলিকপ্টারটির রুশ প্রস্তুতকারক সংস্থার একটি বিশেষজ্ঞ দল পাকিস্তানে আসার কথা রয়েছে। তারা খাইবার পাখতুনখোয়া সরকারের হেলিকপ্টার দুর্ঘটনার তদন্তে সহায়তা করবে।

সরকারি একটি সূত্র জানিয়েছে, বিশেষজ্ঞরা পাকিস্তানি তদন্তকারীদের সঙ্গে মিলে দুর্ঘটনার প্রযুক্তিগত কারণ শনাক্ত করার চেষ্টা করবেন। তারা ব্ল্যাকবক্সসহ ধ্বংসপ্রাপ্ত হেলিকপ্টারের বিভিন্ন অংশ—দুই ইঞ্জিন ও গিয়ারবক্স পরীক্ষা করবেন।

সূত্র আরো জানিয়েছে, কয়েকশ কেজি ওজনের ধ্বংসাবশেষ এখনো দুর্ঘটনাস্থলেই পড়ে আছে। ভারী এসব অংশ সরাতে কেপি সরকার ফেডারেল কর্তৃপক্ষের কাছে বিশেষ পরিবহন হেলিকপ্টারের আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে। কর্মকর্তারা জানান, বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটির সর্বশেষ বড় ধরনের মেরামত হয়েছিল ২০১৯ সালে।

 

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর