শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

কসমেটিক সার্জারি করতে গিয়ে নারীর মৃত্যু নতুন নিয়মে দায়বদ্ধ আমিরাতের সার্জনরা

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১১:৪৩

কসমেটিক সার্জারি করাতে গিয়ে এক নারীর মৃত্যুর পর সংযুক্ত আরব আমিরাতে সার্জনদের জন্য নতুন নিয়ম জারি করা হয়েছে। প্লাস্টিক সার্জনদের চিকিৎসাগত দায়িত্ব ও দায়বদ্ধতা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) ফেডারেল সুপ্রিম কোর্ট।

আদালতের রায়ে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, যেহেতু কসমেটিক সার্জারি কোনো জরুরি চিকিৎসা নয়, তাই কোনো ধরনের অবহেলা বা গাফিলতির জন্য চিকিৎসকরা দায়ী থাকবেন। শরীরের গঠন পরিবর্তনে অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকের অবহেলার কারণে এক নারীর মৃত্যু পর এই রায় দেওয়া হলো।

আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, চিকিৎসক স্বীকৃত চিকিৎসা নীতিমালার বাইরে গিয়ে কাজ করেছেন এবং যথাযথ যত্ন নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

নতুন রায়ের অধীনে অস্ত্রোপচারের ঝুঁকিপ্রাপ্ত সুবিধার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে, রোগীর সম্মতি মিললেও সার্জন অস্ত্রোপচার শুরু করতে পারবেন না। যদি রোগীর প্রত্যাশিত উদ্দেশ্যের তুলনায় ঝুঁকিপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, তাহলে চিকিৎসক দোষি বলে বিবেচিত হবেন।

এই রায় দেন আদালতের প্রশাসনিক বিভাগ, যার সভাপতিত্ব করেন বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমান আল জাররাহ।

সঙ্গে ছিলেন বিচারক দাউদ ইব্রাহিম আবু আল শাওয়ারেব ও ড. হাসান মোহাম্মদ হাসান হিন্দ। ১ সেপ্টেম্বর এই রায় ঘোষণা করা হয়।

আদালত রায়ে বলেছেন, প্লাস্টিক সার্জনের দায়িত্ব হলো রোগীকে সুস্থ করার জন্য প্রয়োজনীয় যত্ন প্রদানের পাশাপাশি প্লাস্টিক সার্জারির কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন করা। আদালত আরো স্পষ্ট করে বলেছেন, প্লাস্টিক সার্জন অন্যান্য ডাক্তারদের তুলনায় অধিকতর যত্ন প্রদান করতে বাধ্য, কারণ এর উদ্দেশ্য রোগীর শারীরিক ত্রুটি সংশোধন করা, তার জীবনকে বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়া নয়।

এই রায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্লাস্টিক সার্জারির ক্ষেত্রে একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করল। চিকিৎসকরা এখন থেকে শুধুমাত্র রূপ পরিবর্তনের লক্ষ্যেই নয়, বরং যথাযথ চিকিৎসাগত যত্ন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও আইনি বাধ্যবাধকতায় পড়বেন। এই সিদ্ধান্ত দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন আনবে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর