শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

দালালের হাতে লাঞ্ছিত স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, অভিযুক্তের ৩ মাসের কারাদণ্ড

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৬ নভেম্বর ২০২৫, ১৬:৫৪

কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দালালমুক্ত করতে গিয়ে দালালের হাতে লাঞ্ছিত হয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মহিবুস সালাম খান। এ ঘটনায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযুক্ত দালাল আক্তার হোসেনকে (৩০) তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়ে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আটক আক্তার হোসেন দেবীদ্বার পৌর এলাকার ছোট আলমপুর গ্রামের নুরুল আলমের ছেলে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দেবীদ্বার উপজেলায় প্রায় ৩৭টি প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের দালালচক্র স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে জিম্মি করে রেখেছে। এতে রোগী ও স্বজনরা নিয়মিত প্রতারণা ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। একাধিকবার সেনাবাহিনী ও পুলিশের অভিযানে দালালরা আটক হলেও জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও একই কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন।

বৃহস্পতিবার সকালে পরিদর্শনে গিয়ে জরুরি বিভাগে দালাল আক্তারকে দেখে বেরিয়ে যেতে বললে তিনি উল্টো তর্কে জড়ান।

এক পর্যায়ে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা তাকে আটকাতে গেলে আক্তার হোসেন শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন এবং তার শার্ট ছিঁড়ে ফেলেন। পরে স্থানীয়রা আক্তারকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন।

খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রাকিবুল ইসলাম পুলিশসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তিনি সরকারি কাজে বাধা, সরকারি কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করাসহ সংশ্লিষ্ট ধারায় আক্তার হোসেনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, আক্তার হোসেন হাসপাতালের রোগী, চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সঙ্গে অসদাচরণ, হুমকি এবং মারধরের অভিযোগে আগেও বারবার জেলে গেছেন। তারা পকেটে ব্লেড রেখে ডাক্তারদের ভয় দেখান এবং রাতে ভর্তি রোগীদের টাকা-পয়সা ও মালামাল ছিনতাইয়ের করেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মহিবুস সালাম খান বলেন, ‘জরুরি বিভাগে দালালকে দেখে বেরিয়ে যেতে বললে সে গড়িমসি করে। একপর্যায়ে তাকে বের করতে গেলে আমাকে লাঞ্ছিত করে এবং শার্ট ছিঁড়ে ফেলে।’

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ইউএনও রাকিবুল ইসলাম বলেন, ‘স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে দালালমুক্ত করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

রোগীদের সঙ্গে খারাপ আচরণ ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অপরাধে একজনকে তিন মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর