শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

গাজা সীমান্তে সামরিক ঘাঁটি তৈরীর পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
১২ নভেম্বর ২০২৫, ১২:০৩

ফিলিস্তিনের গাজা সীমানায় বড় একটি সামরিক ঘাঁটি বানানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার (১১ নভেম্বর) ইসরায়েলি অনুসন্ধানী সংবাদমাধ্যম ‘শরিম’ জানিয়েছে, এই ঘাঁটি নির্মাণে প্রায় ‘৫০ কোটি ডলার’ খরচ হতে পারে।

মার্কিন সরকার এই ঘাঁটিটিতে ‘হাজারের বেশি সেনা ও ভারী অস্ত্র’ রাখতে চায়। শরিমের বরাত দিয়ে এই খবর জানিয়েছে ইরানি গণমাধ্যম প্রেস টিভি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই ঘাঁটি বানানোর সিদ্ধান্তে মধ্যপ্রাচ্যে উদ্বেগ দেখা গেছে এবং অনেকের ধারণা, ইসরায়েলকে সাহায্য করে যুক্তরাষ্ট্রের এটি ‘নতুন আগ্রাসনের ইঙ্গিত।’

ইসরায়েলি গণমাধ্যমটি তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, আমেরিকার তৈরি এই ঘাঁটি ওয়াশিংটনকে ইসরায়েলের সরাসরি সমন্বয় ছাড়াই কাজ করার ক্ষমতা দেবে এবং পরিস্থিতি নিজেদের মতো গঠন করার সুযোগ তৈরি করবে। গত সপ্তাহে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমেরিকার একটি প্রতিনিধি দল সম্ভাব্য স্থান নিয়ে আলোচনাও করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের গাজায় চলমান ‘গণহত্যামূলক যুদ্ধ’ নিয়ে বৈশ্বিক ক্ষোভ যখন তীব্র হচ্ছে, তখন এই পরিকল্পনা প্রকাশ্যে এলো। তাদের মতে, ইসরায়েল হয়তো সাময়িকভাবে আন্তর্জাতিক চাপ কমাতে তার মিত্রদের মাধ্যমে নিজের লক্ষ্য পূরণের চেষ্টা করছে।

ফিলিস্তিনি কর্মকর্তারা এই বিষয়ে সতর্ক করে বলেছেন, এই ধরনের পদক্ষেপ ‘এক দখলদারিত্বকে অন্য দখলদারিত্ব দিয়ে প্রতিস্থাপন’ করার প্রচেষ্টা মাত্র—অর্থাৎ ইসরায়েলি সেনাদের জায়গায় বিদেশি সৈন্যদের বসানো।

নভেম্বরের শুরুতে গাজার হামাস আন্দোলনের সিনিয়র নেতা মুসা আবু মারজুক আল জাজিরাকে বলেছেন, ‘আমরা এমন কোনো সামরিক বাহিনী মেনে নিতে পারি না, যা গাজায় দখলদার সেনাবাহিনীর বিকল্প হিসেবে কাজ করবে।’

এর আগে ওয়াশিংটন জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে একটি খসড়া প্রস্তাব এনেছিল, যেখানে ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (আইএসএফ)’ নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী গঠনের কথা বলা হয়। এই বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র, তুরস্ক, কাতার ও মিশরের নেতৃত্বে গঠিত হওয়ার কথা এবং সেখানে বলা হয়েছিল যে, এই বাহিনী অন্তত দুই বছর গাজায় অবস্থান করবে।

সমালোচকদের মতে, পুনর্গঠন ও নিরাপত্তার অজুহাতে মূলত গাজাকে ‘অস্ত্রহীন’ করা ও প্রতিরোধ আন্দোলনের কাঠামো ভেঙে ফেলার লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ। সমালোচকরা মনে করেন, এই পরিকল্পনা ইসরায়েলি দখলদারিত্ব, যুদ্ধাপরাধের দায়বদ্ধতা, এবং ফিলিস্তিনিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ক্ষতিপূরণের অধিকারের মতো আসল সমস্যাগুলো সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করছে। এরমাঝেই নতুন করে মার্কিন ঘাঁটি বানানোর খবর আসায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর