শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান, আতঙ্কে মানুষ ঘরছাড়া

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৯ নভেম্বর ২০২৫, ১৪:০৭

মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠলো পাকিস্তান। শনিবার (২৯ নভেম্বর) ভোরে দেশটির লোরালাই এবং আশেপাশের এলাকায় হালকা কম্পন অনুভূত হয়েছে। এ সময় লোকজন আতঙ্কে ঘর থেকে বাইরে বেরিয়ে আসে। জাতীয় ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র (এনএসএমসি) জানিয়েছে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে।

পরে ভূমিকম্প অফিস জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৩ দশমিক ৪। এর কেন্দ্রস্থল ছিল লোরালাইয়ের দক্ষিণ-পূর্ব থেকে প্রায় ২৩ কিলোমিটার দূরে। তবে ভূমিকম্পের পর প্রাথমিক ভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে, গত মঙ্গলবারও পাকিস্তানের সিবি এলাকায় ৩ দশমিক ১ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। তবে দুটি ক্ষেত্রেই বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

চলতি মাসের শুরুতেও প্রদেশের কিছু অংশে ছোটখাটো ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। সে সময় পাকিস্তান আবহাওয়া অধিদপ্তর (পিএমডি) পরিচালিত এনএসএমসি জানায়, জিয়ারাত এবং আশেপাশের এলাকায় ৫ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে।

গত ৮ নভেম্বরের ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল কোয়েটা থেকে ৬৭ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে। তবে ওই ভূমিকম্প থেকে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

জিয়ারাতে সর্বশেষ বড় ধরনের ভূমিকম্প আঘাত হেনেছিল ২০০৮ সালে। সে সময় ২০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ৫০০ জন আহত হয়।

ওই ভূমিকম্পে পুরো গ্রাম ধ্বংস হয়ে যায়, শত শত বাড়িঘর ও সরকারি ভবন ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়। ফলে ১৫ হাজারের বেশি মানুষ তাদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়।

দেশটি দীর্ঘদিন ধরেই প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকিতে রয়েছে। দেশটির বেলুচিস্তান প্রদেশ মূলত একটি ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের পাশে অবস্থিত।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর