শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

তারেক রহমান

সেনাবাহিনীর সঙ্গে জিয়া পরিবারের সম্পর্ক আত্মিক

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ১০:৪৪

বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, ‘সেনাবাহিনীর সঙ্গে জিয়া পরিবারের সম্পর্ক আত্মিক।’

মঙ্গলবার (৯ ডিসেম্বর) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে সামরিক বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত শতাধিক সদস্যের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ কথা বলেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘অসুস্থ অবস্থায়ও আম্মা (বিএনপি চেয়ারপারর্সন বেগম খালেদা জিয়া) ২১ নভেম্বর সেনাকুঞ্জের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন। ডাক্তাররা তাকে যেতে নিষেধ করেছিলেন। কিন্তু উনি উনার মনের সর্বোচ্চ শক্তি ও অসুস্থ শরীরের সর্বোচ্চ শক্তি এক করে সেখানে গিয়েছিলেন। কারণ সেনাবাহিনীর সঙ্গে আমাদের পরিবারের সম্পর্কটা আত্মিক। আমার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সেদিন বলেছিল, অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পর তিনি  মানসিকভাবে এতটা বুস্টআপ ছিলেন, যে তাকে দেখে অসুস্থ মনে হচ্ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সন্তান। যিনি নিজেও একজন দেশপ্রেমিক সেনা অফিসার ছিলেন। মেজর থাকাকালীন মহান মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়েছিলেন।’

সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, জনগণের ভোটে বিএনপি আগামীতে ক্ষমতায় গেলে আপনাদের মধ্যে যোগ্যদের খুঁজে বের করে দেশ পুনর্গঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে বিএনপির উদ্যোগে দেশ গড়ার পরিকল্পনা শীর্ষক কর্মসূচি চলছে।

তিনি বলেন, পতিত ফ্যাসিস্ট স্বৈরাচার দেশের প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে গেছে। সুতরাং আমাদের সকলের দায়িত্ব সেই প্রতিষ্ঠানগুলো পুনরায় গড়ে তোলা। যেকোন মূল্যে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। কারণ দেশ পুনর্গঠনের পূর্বশর্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা। এর কোনো বিকল্প নেই।

পূর্বনির্ধারিত এই বৈঠকে সামরিক বাহিনীর ১০১ জন অবসরপ্রাপ্ত সদস্য উপস্থিত ছিলেন। এতে সভাপতিত্ব করেন দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সভাটি পরিচালনা করেন মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর।

মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য হাফিজ উদ্দিন আহমদ ও ভাইস চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল (অব.) আলতাফ হোসেন চৌধুরী।

অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে বক্তব্য দেন মেজর জেনারেল (অব.) জামিল ডি আহসান, মেজর (অব.) রেজা করিম, মেজর (অব.) সামসুজ্জোহা, মেজর (অব.) জামাল হায়দার, মেজর (অব.) আজিজুল হক, কর্নেল (অব.) হারুনুর রশিদ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শামসুজ্জোহা, এয়ার কমোডর (অব.) শফিক আহমেদ, রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মোস্তাফিজ, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) জয়নাল আবেদীন, কর্নেল (অব.) জগলুল, লেফটেন্যান্ট (অব.) ইমরান কাজল, মেজর (অব.) গোলাম মান্নান চৌধুরী ও ক্যাপ্টেন (অব.) রেজাউর রহমান ও কর্নেল (অব.) হান্নান মৃধা।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর