শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

শীতকালীন ৯ উপকারী শাক,জেনে নিন কোন শাকে কী গুণ

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত:
১৭ ডিসেম্বর ২০২৫, ১৫:০১

শীত এলেই বাজার ভরে ওঠে নানা রকম সবুজ শাকে। গরম ভাতের সঙ্গে শাকভাজি বা শাকের ঝোল শীতের খাবারে যেন এক অনিবার্য অনুষঙ্গ। আমাদের খাদ্যসংস্কৃতিতে শীতকালীন শাকের ব্যবহার বহু পুরোনো।

শুধু স্বাদে নয়, পুষ্টিগুণেও শীতের শাক একেকটি প্রাকৃতিক ওষুধের মতো কাজ করে। কোন শাক কীভাবে শরীরের উপকারে আসে, তা তুলে ধরা হলো আজকের প্রতিবেদনে,

পালং শাক

শীতের সবচেয়ে পরিচিত শাক পালং। এতে রয়েছে প্রচুর আয়রন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন এ। রক্তস্বল্পতা দূর করতে এটি বেশ কার্যকর। চোখের স্বাস্থ্য ভালো রাখা, ত্বক উজ্জ্বল করা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে পালং শাকের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

লাল শাক

গ্রামবাংলার সুপারফুড হিসেবে পরিচিত লাল শাক। এতে আয়রন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বেশি থাকায় রক্ত পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। লিভার সুস্থ রাখা এবং শরীরের বিষাক্ত উপাদান বের করতে এটি উপকারী। যাদের হিমোগ্লোবিন কম, তাদের জন্য লাল শাক বিশেষভাবে উপযোগী।

পুঁই শাক

শীতের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া যায় পুঁই শাক। এটি শরীর ঠাণ্ডা রাখতে সাহায্য করে এবং হজমে বেশ কার্যকর। পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় পুঁই শাক উপকার দেয়। পাশাপাশি ত্বকের শুষ্কতা কমাতেও এটি সহায়ক।

কলমি শাক

সহজলভ্য ও পুষ্টিগুণে ভরপুর কলমি শাক। এতে রয়েছে ভিটামিন সি ও আয়রন। সর্দি-কাশির প্রবণতা কমাতে এবং দাঁত-মাড়ি সুস্থ রাখতে এই শাক উপকারী। নিয়মিত খেলে শরীরের ক্লান্তিও কমে।

নটে শাক

তুলনামূলক কম পরিচিত হলেও নটে শাকের গুণ অনেক। এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে এবং হার্টের জন্য উপকারী। বাতের ব্যথা ও শরীরের প্রদাহ কমাতেও নটে শাক কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মেথি শাক

তিক্ত স্বাদের কারণে অনেকের অপছন্দ হলেও মেথি শাকের উপকার অসাধারণ। ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে এটি খুবই কার্যকর। হজম শক্তি বাড়ায় এবং শরীরের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

সরিষা শাক

শীতের শেষ দিকে সরিষা শাক বেশ জনপ্রিয়। এতে রয়েছে ভিটামিন কে ও ক্যালসিয়াম, যা হাড় মজবুত রাখতে সহায়ক। ঠাণ্ডাজনিত ব্যথা ও জয়েন্টের সমস্যায় সরিষা শাক উপকার দেয়।

মুলা শাক

অনেকে শুধু মূলা খেলেও মুলা শাক ফেলে দেন, যা বড় ভুল। মুলা শাক ভিটামিন এ, সি ও ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ। এটি লিভার পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে, হজম শক্তি বাড়ায় এবং অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সহায়ক। আয়ুর্বেদ বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে সর্দি-কাশি ও গলা ব্যথায় মুলা শাক উপকারী।

লাউ শাক

হালকা ও সহজপাচ্য লাউ শাক কিডনি ভালো রাখতে সাহায্য করে। শরীরের পানিশূন্যতা দূর করে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে নিয়মিত বিভিন্ন ধরনের শাক খাবারের তালিকায় রাখলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং শরীর থাকে সুস্থ ও সতেজ।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর