শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

শীতে খালি পেটে খেজুর খেলেই ম্যাজিক!

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১২:১৫

শীতকাল মানেই শরীরের ঠাণ্ডা এবং ক্লান্তি। এই সময় শরীরকে শক্তি ও উষ্ণতা জোগানোর জন্য খেজুর হতে পারে এক প্রাকৃতিক উপায়। সারাবছর পাওয়া যায় এমন এই ফল শরীরের জন্য উপকারী নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর।


ডায়েটিশিয়ানরা বলছেন, শীতকালে প্রতিদিন খেজুর খেলে শরীর ভেতর থেকে উষ্ণ থাকে, দ্রুত শক্তি যোগায়, হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে সাহায্য করে। খেজুরে থাকা ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ায়।

শীতকালে খেজুর খাওয়ার উপকারিতা:

শক্তি ও উষ্ণতা: খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক শর্করা যেমন গ্লুকোজ, ফ্রুক্টোজ ও সুক্রোজ শরীরে দ্রুত শক্তি যোগায় এবং শীতের সময় ভেতর থেকে গরম রাখে।

হজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধ: ফাইবার সমৃদ্ধ খেজুর হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য কমাতে সাহায্য করে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: ভিটামিন ও মিনারেলসমৃদ্ধ খেজুর শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়।

ত্বকের স্বাস্থ্য: ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর খেজুর ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখতে, শুষ্কতা কমাতে এবং বলিরেখা প্রতিরোধে সাহায্য করে।

মস্তিষ্কের কার্যকারিতা: ফ্ল্যাভোনয়েড এবং ভিটামিন বি৬ মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং মেজাজ ভালো রাখতে সহায়ক।

হাড়ের স্বাস্থ্য: ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় মজবুত করতে সাহায্য করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: ফাইবারসমৃদ্ধ খেজুর রক্তে শর্করার শোষণ ধীর করে এবং রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করতে পারে। ডায়াবেটিস রোগীদের ক্ষেত্রে খেজুর খাওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

কতটা খাবেন?
প্রতিদিন ৩-৫টি খেজুর খাওয়া যথেষ্ট। এতে প্রচুর চিনি ও ক্যালোরি থাকে, তাই অতিরিক্ত খাওয়া ওজন বাড়াতে বা রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়াতে পারে।

কীভাবে খাওয়া যায়?
শীতের সকালে খালি পেটে বা দুধের সাথে খেলে সারাদিনের জন্য শক্তি পাওয়া যায়। এছাড়াও খিদে পেলে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকসের পরিবর্তে খেজুর খেতে পারেন।

 


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর