প্রকাশিত:
১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৪৮
নির্ধারিত সময় অনুযায়ী আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি বলেন, নির্বাচন একদিন আগেও নয়, একদিন পরেও নয়—ঠিক ১২ ফেব্রুয়ারিতেই হবে।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুক্তরাষ্ট্রের দুই সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে প্রধান উপদেষ্টা এ কথা বলেন। সাক্ষাতে তিনি জানান, নির্বাচন নিয়ে নানা ভুয়া খবর ও বিভ্রান্তি ছড়ানো হলেও অন্তর্বর্তী সরকার তার প্রতিশ্রুতি থেকে একচুলও সরবে না।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, নির্বাচন হবে অবাধ, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে। নির্বাচনকালীন সময়ে সরকার সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ থাকবে এবং সব রাজনৈতিক দলের জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা হবে। ভোটের ফল ঘোষণার পর গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের কাছে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা হবে বলেও তিনি জানান।
বৈঠকে আসন্ন নির্বাচন ছাড়াও জুলাই গণ-অভ্যুত্থান, তরুণদের রাজনৈতিক উত্থান, জুলাই সনদ ও গণভোট, নির্বাচন ঘিরে ছড়ানো অপতথ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং ভবিষ্যতে ‘ট্রুথ অ্যান্ড রিকনসিলিয়েশন’ প্রক্রিয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।
প্রফেসর ইউনূস বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছে। জনগণের সমর্থন পেলে জুলাই সনদ গণতান্ত্রিক শাসনের নতুন অধ্যায় সূচনা করবে এবং ভবিষ্যতে স্বৈরশাসনের পথ বন্ধ করবে।
তিনি অভিযোগ করেন, পতিত শাসনব্যবস্থার সমর্থকেরা নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে ভুয়া খবর ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি বিভ্রান্তিকর ভিডিও ছড়াচ্ছে। তবে জনগণ এখন এসব অপতথ্য শনাক্ত করতে অনেক বেশি সচেতন।
সাক্ষাতে উপস্থিত মার্কিন কূটনীতিকেরা নির্বাচন ও গণতন্ত্র রক্ষায় ভুয়া খবরকে বৈশ্বিক হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেন এবং এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আরও জোরালো উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন।
মন্তব্য করুন: