শনিবার, ৭ই মার্চ ২০২৬, ২৩শে ফাল্গুন ১৪৩২ | ই-পেপার
ব্রেকিং নিউজ:
  • সারাদেশে জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হচ্ছে। আগ্রহী হলে আপনার সিভি ই-মেইল করতে পারেন। ই-মেইল dailyvobnews@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
  • চুক্তি বাতিল ৯ সচিবের, ওএসডি ৩ — প্রশাসনে পুনর্বিন্যাসের বার্তা
  • অন্তর্বর্তী সরকারকে কাঠগড়ায় রাষ্ট্রপতি, ‘প্রাসাদবন্দি’ থাকার দাবি
  • বেইজিং-ঢাকা সম্পর্কে নতুন গতি, চীনের প্রেসিডেন্টের আমন্ত্রণ প্রধানমন্ত্রীর জন্য
  • মহিলা নেত্রীদের নাম আলোচনায়, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক প্রতিনিধিত্ব বিবেচনা
  • ভোরের পোস্ট, দিনে ভাইরাল: শফিকুর রহমানের স্ট্যাটাসে সরগরম সোশ্যাল মিডিয়া
  • একুশের আবহে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও বইমেলার উদ্বোধন ২৬ ফেব্রুয়ারি
  • স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন এবং শোকপ্রস্তাব নিয়ে শুরু হচ্ছে নতুন সংসদ কার্যক্রম
  • শূরা বৈঠকে জামায়াতের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি, নির্বাহী পরিষদে ২১ সদস্য
  • বিদায়ী উপদেষ্টাদের অধিকাংশই কূটনৈতিক পাসপোর্ট ফেরত দিয়েছেন
  • ঈদের পর ধারাবাহিকভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন: ইসি

দেশের উচ্চশিক্ষা পদ্ধতির ভবিষ্যৎ নিয়ে সমীক্ষা করছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত:
২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬:৫১

দেশের উচ্চশিক্ষার প্রায় ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পড়াশোনা করছেন। প্রতিবছর এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় সাত লাখ শিক্ষার্থী স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করলেও তাদের অন্তত ৪০ শতাংশ কর্মসংস্থানের বাইরে থেকে যাচ্ছেন। এ পরিস্থিতিতে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ প্রস্তুতি ও শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে এর সামঞ্জস্য যাচাইয়ে একটি বড় পরিসরের সমীক্ষা শুরু করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাথমিক তথ্যে দেখা গেছে, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা অনেক শিক্ষার্থী চাকরিদাতা প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় দক্ষতা পূরণ করতে পারছেন না। বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরতেই এই জরিপ বা সমীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে আর্থিক সহায়তা দিচ্ছে ইউনিসেফ বাংলাদেশ।

ইউনিসেফের সহায়তায় উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে গবেষণাকাজটি পেয়েছে গবেষণা প্রতিষ্ঠান কনসিগলিয়েরি প্রাইভেট লিমিটেড। ‘Feasibility Study to Assess the Future Readiness and Responsiveness of Bangladesh’s Higher Education System’ শীর্ষক এ সমীক্ষার মাধ্যমে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান অবস্থা, সীমাবদ্ধতা ও ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ করা হবে।

রবিবার জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে আনুষ্ঠানিকভাবে গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিকে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বলেন, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় দেশের সব অঞ্চল, সব শ্রেণি-পেশা এবং সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের উচ্চশিক্ষার চাহিদা পূরণে কাজ করছে। ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এমন উদ্যোগ নিতে হবে, যাতে কেউ পিছিয়ে না পড়ে।

তিনি আরও বলেন, গবেষণাটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন হওয়া প্রয়োজন, যাতে এর ফলাফল শুধু জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের নীতিনির্ধারকেরাও উচ্চশিক্ষার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণে ব্যবহার করতে পারেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. নূরুল ইসলাম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. এ টি এম জাফরুল আযম, ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার ড. মো. আশেক কবির চৌধুরী, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, দপ্তরপ্রধান, ইউনিসেফ বাংলাদেশের প্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট গবেষণা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


মন্তব্য করুন:

সম্পর্কিত খবর