প্রকাশিত:
২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:১৫
গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে মুদ্রার রেকর্ড দরপতনকে কেন্দ্র করে ইরানে যে বিক্ষোভ শুরু হয়, তা দ্রুতই শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের আন্দোলনে রূপ নেয়। ১৯৭৯ সালের বিপ্লবের পর দেশটি এত বড় অভ্যন্তরীণ সংঘাত আর দেখেনি। রাষ্ট্রীয় হিসাবে নিহতের সংখ্যা তিন হাজারের বেশি হলেও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, প্রাণহানির সংখ্যা পাঁচ হাজার ছাড়িয়েছে।
অতীতে জ্বালানি মূল্যবৃদ্ধি বা সামাজিক অসন্তোষ দেখা দিলে সরকার ভর্তুকি বাড়ানো কিংবা কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করে পরিস্থিতি সামাল দিত। কিন্তু এবার সেই সুযোগও সীমিত। দীর্ঘদিনের আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনায় ইরানি রিয়ালের মান তলানিতে নেমেছে, তেল রপ্তানি কমেছে এবং মূল্যস্ফীতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
বিদ্যুৎ ও পানির সংকট সাধারণ মানুষের জীবন আরও কঠিন করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, নিষেধাজ্ঞা থেকে মুক্তি পেতে হলে তেহরানকে পরমাণু কর্মসূচি, ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ও আঞ্চলিক মিত্রদের বিষয়ে বড় ছাড় দিতে হতে পারে—যা শাসনব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত সংবেদনশীল সিদ্ধান্ত।
মন্তব্য করুন: