প্রকাশিত:
২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৫:৩৮
চীনের সামরিক বাহিনীতে চলমান দুর্নীতিবিরোধী অভিযানের নতুন ধাপে শীর্ষ জেনারেলদের পতন অনেকের কাছেই পরিচিত দৃশ্য। কিন্তু সাম্প্রতিক বহিষ্কারগুলো আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় বেশি সংবেদনশীল। কারণ, যাঁদের সরানো হয়েছে, তাঁরা শুধু উচ্চপদস্থ নন—তাঁরা সি চিন পিংয়ের রাজনৈতিক বলয়ের অংশ হিসেবেই পরিচিত ছিলেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, দুর্নীতির অভিযোগ চীনা রাজনীতিতে অনেক সময় একটি কার্যকর হাতিয়ার। এর মাধ্যমে অনুগত নন এমন ব্যক্তি বা সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের সরিয়ে দেওয়া সহজ হয়। সি চিন পিং ক্ষমতায় আসার পর থেকে এই পদ্ধতিতে তিনি রাষ্ট্র, দল ও সেনাবাহিনীর ওপর নজিরবিহীন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছেন।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এই বহিষ্কার দুটি বিষয় স্পষ্ট করেছে। প্রথমত, সি চিন পিং এখনো ক্ষমতার শীর্ষে অপ্রতিদ্বন্দ্বী। দ্বিতীয়ত, বেইজিংয়ে তথ্যের প্রবাহ এতটাই নিয়ন্ত্রিত যে প্রকৃত ঘটনা আড়ালেই থেকে যাচ্ছে, ফলে গুজব ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
এই অনিশ্চয়তার পরিবেশ সামরিক বাহিনীর ভেতরেও প্রভাব ফেলতে পারে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে ভয় ও সন্দেহ তৈরি হলে সিদ্ধান্ত গ্রহণে ধীরতা এবং ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
মন্তব্য করুন: