প্রকাশিত:
২৮ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩:২০
কিশোর ও ২০–৩০ বছরের তরুণ বয়সে হাড় ও পেশি গঠনের কাজ সম্পূর্ণ হয়। এই সময় সুষম প্রোটিন, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ভিটামিন ডি এবং ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি।
শাকসবজি, ডাল, বাদাম, জলপাই তেল ও ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ভূমধ্যসাগরীয় খাদ্য মানসিক ও শারীরিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এই পর্যায়ে পুষ্টিকর খাবারের অভ্যাস গড়ে তোলা হলে ভবিষ্যতে স্থূলতা, হৃদরোগ ও হাড়ের দুর্বলতার ঝুঁকি কমে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বয়সে সুষম খাদ্য এবং নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম একসাথে করা হলে মস্তিষ্ক ও পেশি উভয়ই শক্তিশালী থাকে। এতে কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং জীবনের পরবর্তী পর্যায়েও স্বাস্থ্য ঝুঁকি কম থাকে।
মন্তব্য করুন: