প্রকাশিত:
১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১৪:০৩
ওয়াশিংটন এখন ভেনিজুয়েলার ‘দায়িত্বে’ রয়েছে এমন দাবি করে শনিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও কারাকাস তেলের মুনাফা ভাগাভাগি করবে। তিনি আরো বলেন, ‘আমরা ভেনিজুয়েলার নেতৃত্বের সাথে খুব ভালোভাবে কাজ করছি। তারা সত্যিই ভালো কাজ করছে।’
নিকোলাস মাদুরো অপসারিত হওয়ার পর ক্ষতিগ্রস্ত অর্থনীতি পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছে দক্ষিণ আমেরিকার দেশটি। ভেনিজুয়েলার হাতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় প্রমাণিত তেল মজুত রয়েছে। এ খাতে বেসরকারি ও বিদেশি বিনিয়োগের সুযোগ দিতে দেশটি চলতি সপ্তাহে আইন সংস্কার করেছে।
মাদুরোর শাসনামলে ভেনিজুয়েলার তেলের প্রধান ক্রেতা ছিল চীন। তবে ৩ জানুয়ারি মার্কিন বাহিনীর হাতে মাদুরো আটক হওয়ার ঘটনায় চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিন্দা জানায় এবং এর ফলে বেইজিংয়ের সাথে কারাকাসের ভবিষ্যৎ সম্পর্ক অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।
এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, ‘চীন এখানে আসতে পারে এবং তেলের ক্ষেত্রে দারুণ একটি চুক্তি করতে পারে। আমরা চীনকে স্বাগত জানাই।’
তিনি উল্লেখ করেন, ভেনিজুয়েলার অন্তর্বর্তী প্রেসিডেন্ট ডেলসি রদ্রিগেজ শুক্রবার ভারতের সাথে একটি জ্বালানি সহযোগিতা চুক্তিতে সম্মত হয়েছেন।
ট্রাম্প বলেন, ‘ভারত আসছে এবং তারা ইরান থেকে কেনার বদলে ভেনিজুয়েলার তেল কিনবে। সে চুক্তি- অন্তত চুক্তির ধারণা- ইতোমধ্যে হয়েছে। তবে চীনও আসতে পারে এবং তেল কিনতে পারে।’
তিনি বলেন, ‘আমরা অনেক তেল বিক্রি করব। আমরা কিছু নেব, তারা অনেকটা নেবে। তারা খুব ভালো করবে। এর আগে কখনো এত অর্থ তারা পায়নি। এটি আমাদের জন্যও উপকারী হবে।’
ট্রাম্প আরো ইঙ্গিত দেন, কিউবার সাথেও যুক্তরাষ্ট্র একটি ‘চুক্তি’ করতে পারে- যদিও তেল সরবরাহকারী দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের হুমকি তিনি আগে দিয়েছিলেন।কিউবার নেতাদের প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার মনে হয় তারা আমাদের কাছে এসে চুক্তি করতে চাইবে, যাতে কিউবা আবার মুক্ত হতে পারে।’
তিনি যোগ করেন, ‘আমি মনে করি আমরা কিউবার সাথে একটি চুক্তি করব। আর আমার ধারণা, আমরা সদয় থাকব।’
মন্তব্য করুন: