প্রকাশিত:
১২ মার্চ ২০২৬, ১১:২১
সরকারি দিবস পালনের তালিকায় বড় পরিবর্তন এনেছে সরকার। নতুন জারি করা পরিপত্রে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দিবস বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বুধবার এ সংক্রান্ত নতুন পরিপত্র জারি করে। এর আগে ২০২৪ সালের অক্টোবরে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা নির্দেশনা কার্যত বহাল রাখা হয়েছে নতুন সিদ্ধান্তে।
সরকারি তালিকা থেকে বাদ পড়া দিবসগুলোর মধ্যে রয়েছে ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস, শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবস, শেখ রাসেল দিবস, জাতীয় সংবিধান দিবস এবং স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস।
অন্যদিকে নতুন তালিকায় যুক্ত হয়েছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিন হিসেবে ৫ আগস্ট দিবসটি পালনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলনের সময় রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্র আবু সাঈদের স্মরণে ১৬ জুলাই ‘জুলাই শহীদ দিবস’ পালনের সিদ্ধান্তও বহাল রয়েছে।
নতুন পরিপত্র অনুযায়ী দিবসগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে।
ক-শ্রেণিতে জাতীয় পর্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ দিবসগুলো অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেগুলো রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় পালন করা হবে।
খ-শ্রেণির দিবসগুলো তুলনামূলকভাবে বড় পরিসরে উদযাপন করা যাবে এবং এ ধরনের অনুষ্ঠানে মন্ত্রীরা অংশ নিতে পারবেন। প্রয়োজনে প্রধানমন্ত্রীকেও আমন্ত্রণ জানানো হবে।
এই শ্রেণির অনুষ্ঠানের জন্য সরকারি তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে গ-শ্রেণির দিবসগুলো সীমিত আকারে পালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সরকারি ব্যয় কমানোর লক্ষ্যেও কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। বড় ধরনের শোভাযাত্রা, জমকালো আয়োজন বা অপ্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানের পরিবর্তে সীমিত আকারে আলোচনা সভা বা সেমিনার আয়োজনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সরকারের মতে, নতুন নির্দেশনার মাধ্যমে দিবস পালনের ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমবে এবং সরকারি কার্যক্রম আরও কার্যকর হবে।
মন্তব্য করুন: